• শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৯:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সকল সাংবাদিকদের আস্তা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা,, কুমিল্লায় ডিম ব্যাবসায়ীদের খপ্পরে পড়ে আটকে গেলো অবৈধ কোল্ডস্টোরেজ মালিক রা। আমাকে যদি ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন,এই সদর দক্ষিন উপজেলা মাদক মুক্ত করবো ইনশাআল্লাহ। সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে বরুড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন। চট্রগ্রাম জয় করে ৭টি মেডেলে নিয়ে এলো লাকসাম সিতোরিউ কারাতে দো: এসোসিয়েশন” পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে বরুড়া থানা”র ওসি প্রত্যাহার জামালপুরে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ অভিযান শুরু  বকশীগঞ্জে পানিতে ডুবে শিক্ষার্থীর মৃত্যু  ইসলামপুরে ৪ সন্তানের জন্ম দিলেন খুশি বেগম মেলান্দহে সৌদি প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের অভিযোগ হত্যা

আদর্শ মুসলমানের গুণ ১০টি। আজকের জুমার খুতবা ইনশাআল্লাহ।

71Times / ৪৪৪৪ Time View
Update : শুক্রবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

।আদর্শ মুসলমানের গুণ ১০টি।
আজকের জুমার খুতবা ইনশাআল্লাহ।
মুমিনতো কখনো ভুলে যায় না
আল্লাহর হুকুম ছেড়ে দেয় না
মুমিনতো চাই আল্লাহর রঙে
জীবনকে রঙিন করতে।
।মহাগ্রন্থের আয়াত সমূহ।
সূরা তাওবা আয়াত ১১২ হুজরাত ১৫
সূরা মুমিনুন আয়াত ১-১১
সূরা আররহমান আয়াত ৩৩
সূরা ওয়াকিয়া আয়াত ৫৭ তাওবা ১১৭
সূরা ফুরকন আয়াত ৬১-৬৮ নামল ৪৬
তাফসীরে হিসাবে সহায়ক তাফহীমূল কুরআন, মারেফুল কুরআন,ইবনে কাসীর।
।রাসূল সাঃ মণিমুক্তা।
হযরত আবু হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন আমরা বললাম ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের একি অবস্থা যে,যখন আপনার কাছে থাকি তখন আমাদের হৃদয় কোমল হয় এবং আমরা দুনিয়া বিমুখ হয়ে পড়ি। আর আমরা হয়ে যাই আখিরাতের লোকের ন্যায়।কিন্তু যখন আপনার এখান থেকে বের গিয়ে পরিবার পরিজনের সাথে মেলামেশা করি এবং সন্তান -সন্ততিদের সোহাগ করি তখন আমাদের মনকে অন্য রকম পাই। তখন রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন যখন তোমরা আমার নিকট থেকে বেরিয়ে যাও তখনও যদি তোমরা সে অবস্থায় থাকতে তবে ফিরিশতাগণ তোমাদের ঘরে এসে তোমাদের যিয়ারত করতেন। তোমাদের যদি গুনাহ সংঘটিত না হত তবে আল্লাহ তাআলা নতুন এক জাতি সৃষ্টি করতেন যেন তারা গুনাহ করে আর তিনি তাদের মাফ করেন। তিরমিজি। ২৫২৮।
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামা কা’নাব কা’নবী (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কোন ব্যক্তি হারানো পশু পাওয়ার কারণে যে পরিমাণ খুশী হয়, তোমাদের কারোর তাওবার কারণে আল্লাহ তাআলা এর চেয়েও অধিক খুশী হন।মুসলিম।
হযরত আবু উমামা রাঃ বর্ণনা করেন, জনৈক ব্যক্তি নবী করীম সাঃ এর নিকট দেশ ভ্রমনের অনুমতি প্রার্থনা করলে পর তিনি বললেন আমার উম্মতের দেশভ্রমণ হলো জেহাদ ফী-সাবিলিল্লাহ।আবু দাউদ।
হযরত আবু হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণনা করেন রাসূলুল্লাহ সাঃ কে আলোচ্য আয়াতে উল্লেখিত সায়িহীন কারা এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার পর তিনি বললেন,রোযাদারগণ।তিরমিজি।
আবদুল্লাহ (রাঃ) আমার নিকট দুটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। একটি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এবং অপরটি তার নিজের পক্ষ থেকে (নিজের সম্পর্কে)। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তার মুমিন বান্দার তাওবার কারণে অধিকতর আনন্দিত হন। জারীরের হাদীসের অনুরূপ।মুসলিম।
।আরো কিছু প্রিয় মণিমুক্তা।
তোমারি রহম ছাড়া বাঁচা বড় দায়
প্রতিদিনে, প্রতিক্ষণে জড়িয়ে রাখোগো আমায়
শত শত ভুল মাফ করে দাও
জানা কি অজানায়
কঠিন বিচারের দিন থেকোগো পাশে
পাপের ভারে নুয়ে গেছি, মন তাই কেঁদে মরে
জান্নাতি ফুল দিওগো আমায়
আগুনে ফেলে দিওনা।
উমর (রাঃ) বলেছেন- “আমরা যে উত্তম জীবন লাভ করেছি তা ধৈর্যের মাধ্যমেই এসেছে।”
তিনি আরো বলেছেন- “আমরা যে উত্তম জীবনের অভিজ্ঞতা লাভ করেছি তা ধৈর্যের জীবন এবং ধৈর্য যদি মানুষ হতো তবে সে সবচেয়ে বেশি উদার হতো।”
আলী (রাঃ) বলেন- “বাস্তবিকই ঈমানের জন্য ধৈর্য হলো এমনটি যেমনটি নাকি দেহের জন্য মাথা। মাথা কাটা গেলে দেহ ধ্বংস প্রাপ্ত হয়” অর্থাৎ ধৈর্য না থাকলে ঈমান বা বিশ্বাসও নষ্ট হয়ে যায়।
হযরত উমর রাঃ একদিন আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাঃ জিজ্ঞেস করেন কুরআনে হতাশা সম্পর্কে তখন তিনি বলেন সূরা জিলজালার শেষ দুটো আয়াত তখন উমর রাঃ খুব চিন্তা আর কান্না করছেন।আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাঃ বললেন উমর এত ভেঙে পড়না তখন উমর রাঃ বললো কুরআনে কি আশার আয়াত আছে তখন বললো সূরা যুমার ৫৩ নং আয়াত পড়েন বান্দ হতাশ হয়োনা আমার রহমত থেকে ক্ষমা থেকে।

যেমন দেখুন পড়ুন জানুন ওযুর ফরজ ৪ টি, গোসলের ফরজ ৩ টি, ওযু ভাঙার কারণ ৭ টি, নামাজের ফরজ ১৩ টি, নামাজের ওয়াজিব ১৪ টি,নামাজ ভাঙার কারণ ১৯ টি,ঈমান ভাঙার কারণ ১০ টি,মুনাফিকের আলাত ৩ /৪ টি, তেমনি ভাবে জানা দরকার সফল মুমিনের গুণ ১০ টি,আদর্শ মুসলমানের গুণ ও ১০ টি আদর্শ মুমিনের গুণ ১০ টি,, ,
১,মুমিন তাওবাকারী ২,ইবাদতকারী, ৩,(আল্লাহর) প্রশংসাকারী ৩, সিয়াম (রোজা) পালনকারী বা আল্লাহর পথে ভ্রমণকারী ৪,রুকুকারী ৫,সিজদাকারী ৬, সত্কাজের নির্দেশদাতা ৭, ৮,অসৎকাজের নিষেধকারী ৯, আল্লাহর নির্ধারিত সীমারেখা সংরক্ষণকারী।১০,এই মুমিনদের শুভ সংবাদ দাও।
হযরত আদম আঃ যখন নিষিদ্ধ ফল খাওয়ার পরে দুনিয়ায় প্রায় ৩ শত বছর কান্না করলেন তাফসীর কারীরা বলেন সবচেয়ে বেশি কান্না করেছেন হযরত আদম আঃ তারপর আল্লাহ জিবরাইল আঃ কে পাঠিয়ে তাওবা শিখালেন সূরা আরাফ ২৩ নং আয়াত।শীষ আঃ নবী বলেন বাবা প্রতি দিন প্রতিটি সময় কান্না করতেন। সূরা সফ্ফাতে আল্লাহ পাক ইউনুস নবীর কওম থেকে সরে আসার কারণে কি শাস্তি দিয়েছেন তা আলোচনা করেছেন। যখন তার কওমকে ছেড়ে চলে গেলেন আল্লাহ পাক তাকে শাস্তি দিলেন মাছের পেটে ৪০ দিন রাখার মাধ্যমে পরে তিনিও ইস্তেগফার করেন লাইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নিকুনতু মিনাজ জলিমিন।সূরা আম্বিয়া আয়াত ৮৬,৮৭ তারপর ইউনুস নবীর উম্মত ১ লক্ষ ১০ হাজার তারা ভুল বুঝে সঠিক পথে ফিরে আসেন তারা সবায় ইস্তেখার নামাজ আদায় করেন সাথে সাথে আল্লাহ পাক তাদের তাওবা কবুল করে তাদের ক্ষমা করে দেন বৃষ্টি নাযিল করেন।মুসা আঃ সিরিয়াতে যখন একজন মানুষকে হত্যা করে ফেলে তখনো তিনি তাওবা করেন তা আলোচনা করেন সূরা আরাফ ১৫৫ আয়াতে। ইব্রাহিম আঃ ৪০ দিন যখন আগুনের কুন্ডলীতে ছিলেন। ইব্রাহীম আঃ দোয়া করেন রব্বানাগফিরলি ওয়ালিওলিদায়ি,,, তারপর হযরত আয়েশা রাঃ বলেন রাসূল সাঃ রাত ভোর দোয়া করতেন,,সূরা মায়েদা আয়াত ১৮৮। রাসূল সাঃ দৈনিক ৭০ বার ইস্তেগফার করতে।
হৃদয় জুড়ে তোমারী
প্রেম দাও প্রভু আমারে
কোন দিনো আমি যেন
ভুলিনা তোমারী।
লেখক হাফেজ মাওলানা নুর হোছাইন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

Archives