,


সংবাদ শিরোনাম:
«» «» ঢাকা মেট্রোপলিটন ডিএমপি’র অপরাধ পর্যালোচনা সভায় পুরস্কৃত হলেন যারা «» মাদক সেবন,বিক্রেতা,আশ্রয় ও প্রশ্রয়কারী কাউকে ছাড় দেয়া হবে না-পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান «» ভালো-মন্দের এফডিসি «» তোতা কাহিনী,গল্পের বই প্রকাশিত বইমেলায়-লেখক আমিনুল ইসলাম মামুন «» কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সাথে সিআরইউ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় «» দেশের বড় বড় ব্যবসায়ী গ্রুপ এখন অনেক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের মালিক:বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল পদক প্রদান অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ «» ঢাকা জেলা জাতীয় পার্টির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা,সভাপতি সালমা ইসলাম-সম্পাদক ইমতিয়াজ «» কুমিল্লায় ট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কা, নিহত ৫ «» ভুলতে পারিনা তোরে মামুন সরকার…..

আশা বাঁচিয়ে রাখতে পারলো সিলেট

আশা বাঁচিয়ে রাখতে পারলো সিলেট

প্লে অফের আশা বাঁচিয়ে রাখতে জয়ের বিকল্প ছিল না সিলেট সিক্সার্সের। আর সিলেটের লড়াইটা ছিল সর্বশেষ সাক্ষাতে হার দেখা খুলনা টাইটান্সের বিপক্ষে। তবে দাপুটে জয় দিয়েই নিজেদের সম্ভাবনা ধরে রাখলো অলক কাপালি বাহিনী। গতকাল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে (বিপিএল) দিনের প্রথম ম্যাচে খুলনা টাইটান্সের বিপক্ষে ৫৮ রানে জয়ী হয় সিলেট সিক্সার্স। ম্যাচের শুরুতে দারুণ ব্যাটিংয়ে সিলেটের সংগ্রহ পৌঁছে ১৯৪/৪-এ। পরে বিধ্বংসী নৈপুণ্যে খুলনা টাইটান্সকে ১৩৭ রানে গুঁড়িয়ে দেন সিলেটের বোলিং তারকারা। খুলনার ইনিংসে অব্যবহৃত থেকে যায় ১১ বল। নেতৃত্ব পেয়ে টানা দুই ম্যাচে জয় দেখলেন সিলেট সিক্সার্সের নতুন অধিনায়ক অলক কাপালি।

আগের দিন মিরাজ-মোস্তাফিজদের রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে ৭৭ রানের দাপুটে জয় দেখেন কাপালিরা। আসরে ১০ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার পঞ্চম স্থানে উঠে এলো সিলেট সিক্সার্স। ১০ ম্যাচে মাত্র ২ জয়ের মুখ দেখা খুলনা টাইটান্সের অবস্থান যথারীতি তালিকার তলানিতে।
গতকাল চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে ১৯৬ রানের টার্গেটে শুরুটা খারাপ ছিল না খুলনা টাইটান্সের। এক উইকেট হারিয়ে ৫.৪ ওভারে খুলনার স্কোরবোর্ডে জমা পড়ে ৬৪ রান। পরে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট খুইয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে মাহমুদুল্লাহ বাহিনী। দলের সর্বোচ্চ ৩২ রান করেন জিম্বাবুইয়ান ওপেনার ব্রেন্ডন টেইলর। আরিফুল হকের ব্যাট থেকে আসে ২৪ রান। গত বিপিএলে চমক দেখানো আরিফুল হকের এটি চলতি আসরে নিজের ১০ ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। আগেরটি ২৬। দারুণভাবে শুরু করে আরো একবার অল্পতে উইকেট দিলেন জুনাইদ সিদ্দিকী। গতকাল ১১ বলের ইনিংসে চার বাউন্ডারিতে ২০ রান করেন খুলনা টাইটান্স ওপেনার জুনাইদ। সিলেটের বল হাতে ২০ রানে ৩ উইকেট নেন বাঁ-হাতি স্পিনার নাবিল সামাদ।
চট্টগ্রামে টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেন সিক্সার্স অধিনায়ক অলক কাপালি। আর শুরুতে ৭১ রানের জুটি গড়ে বড় সংগ্রহের ভিত গড়েন ওপেনার লিটন কুমার দাস ও আফিফ হোসেন। ১ রানের জন্য অর্ধশতক মিস করেন আফিফ। ৩৭ বলে ৪৯ রানের ইনিংসে আফিফ হাঁকান ৫ বাউন্ডারি ও দুটি ছক্কা। লিটন দাস ২২ বলে ৩৪ ও সাব্বির রহমান খেলেন ২৯ বলে হার না মানা ৪৪* রানের ইনিংস। আর শেষ দিকে মোহাম্মদ নাওয়াজের ২১ বলে ৩৯ রানের ঝড়ো ইনিংসে ভর করে বড় পুঁজি পায় সিলেট সিক্সার্স। খুলনা টাইটান্সের বল হাতে ৪ ওভারের স্পেলে ৩০ রানে তিন উইকেট নেন স্বদেশি বাঁ-হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। এদিন অলরাউন্ড নৈপুণ্য নিয়ে ম্যাচসেরার খেতাব কুড়ান মোহাম্মদ নাওয়াজ। গতকাল ৪ ওভারের স্পেলে ৩৪ রানে এক উইকেট নেন পাকিস্তানি এ বাঁ-হাতি স্পিনার।
৭ বলের চমক তাসকিনের
মাত্র ৭ বলের স্পেলে (১.১ ওভার) ৬ রানে দুই উইকেট নেন পেসার তাসকিন আহমেদ। চলতি আসরে সর্বাধিক ২০ উইকেট শিকার তাসকিনের। ঢাকা ডায়নামাইটসের বাঁ-হাতি স্পিনার সাকিব আল হাসানের শিকার দ্বিতীয় সর্বাধিক ১৭ উইকেট। তবে সাকিব দুই ম্যাচ কম খেলেছেন। রংপুর রাইডার্সের পেস তারকা মাশরাফি বিন মুর্তজার শিকার তৃতীয় সর্বাধিক ১৬ উইকেট। গতকাল নিজের প্রথম ওভারে খুলনা টাইটান্সের ওপেনার জুনাইদ সিদ্দিকীকে সাজঘরে ফেরান তাসকিন। আর তাসকিনের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে তাইজুল ইসলামের বিদায়ে ইনিংস শেষ হয় খুলনার। গতকাল খুলনা টাইটান্সের বিপক্ষে ব্যাট হাতে ১২ রান করেন সিলেট সিক্সার্স তারকা নিকোলাস পুরান। এতে আসরের সর্বাধিক রান সংগ্রাহকের তালিকায় মুশফিকুর রহীমকে টপকে যান এ ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান। ১০ ইনিংসে ৩৭.৮৭ গড়ে পুরানের সংগ্রহ ৩০৩ রান। ৮ ইনিংসে ৪২.৭১ গড়ে ২৯৯ রান নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন চিটাগাং ভাইকিংসের স্বদেশি ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম। তালিকার শীর্ষে রংপুর রাইডার্সের প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান রাইলি রুশোর সংগ্রহ ৪৫৯ রান।

10,092 total views, 1 views today

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের,তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।
Skip to toolbar