,


সংবাদ শিরোনাম:

ইভটিজিং এখন বিকল্প পথে মোড় নিয়েছে

 

মোঃ মাসুম পারভেজঃ
বর্তমান সমাজের সবথেকে আলোচিত বিষয় হচ্ছে ইভটিজিং । এক যুগ আগ পর্যন্ত এর শিকার হত মেয়েরা। যখন ভারতের সিরিয়াল স্টার জলসা বা জি বাংলা কিছুই ছিলনা। তখন তাদেরকে নানা ভাবে ইভটিজিং করা হত এর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী কঠিন শাস্তির বিধানও রয়েছে। কিন্তু এখন ইভটিজিং এর ধারা প্রায় সম্পূর্ণ রুপে যেন বদলে গেছে। ইভটিজিং হচ্ছে এখন বিকল্প পথে এগিয়ে যাচ্ছে। আধুনিক যুগের মেয়েদের হাতে পথে ঘাটে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে গ্রামের সহজ সরল ছেলেরা। আধুনিক যুগের মেয়েরা নানাভাবে উত্ত্যাক্ত করছে ছেলেদের। কেউ করছে নিজের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য আবাল কেউবা করছে নিজের মনের ক্ষুধা মেটাবার জন্য। নিরীহ ভদ্র ছেলেরা যখন একাই পথ চলতে শুরূ করে তখনই সুযোগ পেয়ে যায় কিছু ভদ্র নামের বাজে মেয়েরা। নানা রকম কটুক্তিকর এবং উস্কানি মূলক কথাবার্তা বলে তাদের বিরক্ত করা হচ্ছে। ফেসবুকের এক স্টাটাস এ এক ব্যাক্তি বলেন“যে এই মরন বাংলা মানে এই জি বাংলা এই বাংলার মাটিতে এনেছে সে যেন দিনে দুপুরে ঠাডা (বজ্রপাত) পড়ে মরে।” এই সিরিয়ালের জন্য সন্তানরা আজ মাতৃহারা । আজকাল ঘরে ঘরে পুরুষ নির্যাতিত হয় এই সিরিয়ালের জন্য। অন্য একজন বলেন “ আজকাল আজকাল

মহিলারা ভ’লে যায় তার ক’টা সন্তান , কিন্তু কোন সিরিয়াল কখন হয় সেটা ভূলে যায়না। ” আজকাল অনেক ভাল শিক্ষার্থী এদেও কারনে ঝওে যাচ্ছে। যুব সমাজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এদেরই কারনে। রাস্তাঘাটে ভাল ছেলেরা চলাফেরা

করতে পারেনা সমাজে প্রেম ভালবাসা নামক শব্দটি পুতুল খেলার মত খেলে ছুরে ফেলে দিচ্ছে কিছু নারী নামক কলঙ্কিত মেয়েরা। সুযোগ পেলেই তারা যেন দীর্ঘ দিনের ক্ষুধার্ত বাঘের মত ঝাপিয়ে পড়ে ভদ্র ছেলেদের উপর। হাসি ঠাট্টায় মেতে থাকে কিছু উগ্র নারী সমাজ। লজ্জা করেনা সেইসব মেয়েদের যারা ছেলেদের দেখলে তাদের নিয়ে বাজে মন্তব্য করা শুরু করে। প্রেমের নামে তারা ছেলেদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। ইমো এবং ভিডিও সেক্সের নাম

করে তারা প্রবাসীদের কাছ থেকেও টাকা হাতিয়ে নিচেছ। বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন কায়দায় ছেলেদের মোবাইল ফোন নাম্বার সংগ্রহ করে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলে তাদেরকে নিজেদের বশ কওে নেয়। যার ফলে অনেক পিতা মাতাও সন্তান হারা

হয়ে যাচ্ছে। ইসলামে উল্লেখিত আছে“মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশ্ত” অথচ এই মাকেই তারা কিছুদিন পর দূরে ঠেলে দিচ্ছে কিছু খারাপ চরিত্রের নারীর কারনে। হে মানব সন্তান তেমরা বেহেশতের কপালে লাথি মেরে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে এসে কা’বা ঘরে কি খুজতে যাও। ” নারীরা বিদেশী সমাজ আর টিভি সিরিয়ালের চ্যানেল

দেখে দেখে ফ্যাশন পোশাকের নাম করে নগ্নতা হয়ে ঘোরাফিরা করছে চারদিকে। যার ফলে নীরব যৌনতা ছরিয়ে যাচ্ছে চার দিকে। এসব বেশিরভাগ দেখা যায় কাপড়ের দোকান এবং শহরের বড় রড় মার্কেটে। এই ফ্যাশন এখন শুধু শহরেই সীমাবদ্ধ নয় এখন গ্রামে , গঞ্জে, পাড়ায়

মহল্লায় ছরিয়ে ছিটিয়ে গেছে। সমান অধিকারের নাম করে তারা বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকালাপ চালিয়ে যাচ্ছে । লোক কথা ঠিকই আছে, নারীরা এখন কোন কাজেই পিছিয়ে নেই প্রতারনা করা, ছলনা করা, মিথ্যার আশ্রয় ন্ওেয়া, একের

অধিক প্রেম (যার ফলাফল ধর্ষণ), বাবা মায়ের অবাধ্য হয়ে পালিয়ে বিয়ে, বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি, স্কুল কলেজের নাম করে পার্কে ঘুরে বেড়ানো, সহজ সরল ছেলেদের রাস্তাঘাটে উত্ত্যাক্ত সহ সব কাজেই এগিয়ে এখন কিছু

বাজে চরিত্রের মেয়েরা। সারাদেশে বাল্যবিবাহের একমাত্র কারন এই আধুনিকতা এবং নারী পূরুষ সমান অধিকার। যার অনেকটাই ঘটে পরিবারের অবহেলার কারনে এবং সঠিক খোজ খবর না ন্ওেয়ার জন্য। এসব খারাপ দিক

থেকে ফিরিয়ে আনতে পরিবারের ভ’মিকা খুবই গুরুত্বপূণ । তাদের সব সময় চোখে চোখে রাখলে অনেকটাই এসব অসামাজিক কর্মকান্ড থেকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

3,273 total views, 4 views today

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের,তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।

Developed By H.m Farhad