,


সংবাদ শিরোনাম:

উত্তরা আজমপুরে ঈদ তাঁত ও বস্ত্র মেলায় ক্রেতাদের আনাগোনায় জমজমাট

            মেলার পরিবেশ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট সন্তোষজনক। আমরা ক্রেতারা বেশ খুশি…

রাজধানীর উত্তরা মডেল টাউনের আজমপুর রেল গেট সংলগ্ন   ৬-৪ নং সেক্টরের সড়কের পাশে  রেলওয়ে খালি মাঠে বরাবরের মত মাস ব্যাপী ঈদ তাঁত ও বস্ত্র মেলা বিত্র ঈদ উল ফিতরকে সামনে রেখে ।

এখন মেলায় ঈদ তাঁত ও বন্ত্র মেলা বেশ জমজমাট হয়ে উঠেছে। মেলায় দিনের বেলা বেচাকেনা ও ক্রেতা কম দেখা গেলেও বিকালের পর থেকে জমজমাট হয়ে উঠে। নিন্মবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের মার্কেটগুলো যেমন ঈদ মেলা ও ফুটপাত এখনও বেচাকেনা না জমলেও বিক্রেতারা বলেছেন, ক্রেতাদের উপস্থিতি এখন বেশ দেখা গেছে। ঈদ যতো ঘনিয়ে আসছে ততো বেশি ক্রেতা সংখ্যা ও পর্যায়ক্রমে বেড়েই চলেছে। উত্তরা আজমপুরে ৪-৬  নং সেক্টরের সংলগ্ন বিশাল খালি মাঠে বরাবরের মত মাস ব্যাপী ঈদ তাঁত ও বস্ত্র মেলায় ক্রেতাদের উপস্থিতি থাকলেও সন্ধ্যার পর আরও বেশি ক্রেতাদের আনাগোনায় মেলাপ্রাঙ্গ জমজমাট হয়ে ওঠে। বিশেষ করে জামা কাপড়ের দোকান গুলো প্রতিনিয়তই শিশু,মহিলা ও পুরুষ ক্রেতাদের প্রচন্ড ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বিক্রেতারা বলেছেন, গত কাল উত্তরা আজমপুরে ঈদ তাঁত ও বন্ত্র মেলা ২০১৯ ঘুরে দেখা গেছে, সর্বত্রই ডিজাইনের কাপড় ও শাড়ির কালেকশনই বেশি। পাশাপাশি ভারত, সিঙ্গাপুর, মালেশিয়া ও  চায়না থেকে আসা ঈদ ফ্যাশন পোশাক ও রয়েছে বিভিন্ন দোকানে। ভারতের মুম্বাই, কাশ্মীরি ডিজাইন, সিকোয়েন্সের কাজ, জরি-সুতোর বাহারি নকশার শাড়ি ঝলমলে কাপড়ে বাহারি সুতোর কাজ করা কাপড়, উজ্জ্বল রঙের জর্জেট, টিস্যু প্রভৃতি কাপড়ে জরি, চুমকি, সুতি কাপড়ে দেশীয় আলপনার সুতো, অ্যাপলিক ও স্ক্রিন-ব¬ক-বাটিকের পোশাক সম্ভার দারুণ আকর্ষণ করেছে ক্রেতাদের। আর পুরুষদের ক্ষেত্রে দেশী ব্র্যান্ডের মধ্যে শীতল, রঙ, সপুরা সিল্ক প্রভৃতির সঙ্গে ভারত-চায়না থেকে আনা নানা ডিজাইনের পাঞ্জাবি সহ দেশীয় বিভিন্ন ডিজাইনের শার্ট-প্যান্ট ও টি-শার্টের সমাহার উল্লে¬খ করার মতো। মেলার দোকান গুলোতে মেয়েদের শাড়ি, সালোয়ার-কামিজের জন্য একটি বিশেষ মার্কেট। এখানকার দোকানগুলো মূলত ছেলে-মেয়ে ও শিশূদেওর জন্য পোশাককেন্দ্রিক। সে কারণে এখানে মহিলা ক্রেতাদের আনাগোনা বেশি। এ মার্কেটে রয়েছে রঙ, চৈতি, বি প¬াস, ময়ূরী, মুনলাইট প্রভৃতি স্বনামধন্য পোশাক প্রতিষ্ঠানের শোরুম। এছাড়া কালেকশনও ভালো। সে কারণে এ মার্কেটে কেনাকাটা করতে ভালো লাগে। এখানে দেশীয় খাদি ও সুতির পোশাকের রয়েছে বেশকিছু বিক্রয়কেন্দ্র। এছাড়া শিশু ও ছেলেদের পোশাকের বিক্রি ভালো বলে জানালেন এ মার্কেটের বিক্রেতারা। ভারতীয় ও অন্যান্য ডিজাইনের সালোয়ার-কামিজও পাওয়া যাচ্ছে। ছেলেদের পোশাকের কালেকশন ও রয়েছে ভাল। ঈদের পোশাকাদির কথা বলতে গেলে মার্কেটে মূলত শাড়ি ও বাচ্চাদের পোশাক, শার্ট-প্যান্ট, থানকাপড় থেকে শুরু করে লুঙ্গি-গামছাÑ সবই রয়েছে এই ঈদ মেলায় শোভা পাচেছ।  ঈদ তাঁত ও বস্ত্র মেলার মাঠে কথা হয়   দক্ষিণখান থানা আওয়ামীলীগের সংগঠনিক সম্পাদক মহসীন সরকার বলেছেন , প্রথম রোজার দিন থেকেই মেলায় বেচাকেনা ভালো। মেয়েদের সালোয়ার-কামিজ ও শাড়ির দোকানে দুপুরের পর অসংখ্য ক্রেতার ভিড় চোখে পড়েছে আমি মেলার মাঠে ঘুরে দেখ তাছি ও কেনাকাটা করেছি আরো করবো ।

এছাড়া জুতার দোকানগুলোতেও ছিল ক্রেতাদের ভিড়। মেয়েদের সালোয়ার-কামিজ পাওয়া যাচ্ছে সূলভ মূল্যে। চুমকি ও কারচুপির কাজ করা শাড়ি, জামদানি শাড়ি, মসলিন, সিল্ক, তসরসহ আরও নানা আইটেম। শাড়ি বিক্রেতারা বলেছেন, কয়েকদিন পর আরও মূল্যবান শাড়ি ওঠানো হবে। ছোট-ও বড়দের লেহেঙ্গা কমমূলে এখানে সহজে পাওয়া যাচ্ছে।  পাশাপাশি মেয়েদের গহনা,  পোশাক,  শাড়ি, কসমেটিকস্ ইত্যাদির রয়েছে বিশাল সম্ভার আছে। মেলায় ছেলে মেয়েদের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শার্ট ,প্যান্ট বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এ বছর গড়ে তাঁত ও বস্ত্র মেলায়  শাড়ি দোকার থেকে শুরু করে সালোয়ার কামিজ, জুতা,প্যান্ট,তাতের শাড়ি,জাকাতের শাড়ি ও লুঙ্গী সহ যাবতীয় মালামাল সূলভ মূল্যে বিক্রি করা হচেছ।  জৈনক মহিলা ক্রেতা এই প্রতিনিধিকে জানান, উক্ত মেলায় কমমুল্যে ভালমানের জামা কাপড় পাওয়া যায়। তাই এখানে শিশু,মহিলা ক্রেতাদের ভিড় একটু বেশি। তাই এখানে ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছি।

উত্তরা যুবলীগের নেতা দেলোয়ার হোসেন রুবেল জানান মেলার পরিবেশ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট সন্তোষজনক ক্রেতারা বেশ খুশি পাচ্ছেন । মেলার মাঠে কেনাকাটা করে ।  মেলা আয়োজক কমিটি এ প্রতিবেদককে জানান, উত্তরা আজমপুরের মেলায়  ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে বেচাকেনা ও বাড়ছে । মেলার পরিবেশ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত ভাল। তবে মেয়েদের জামাকাপড় বেশি বিক্রি হচেছ। সাধারন ও মধ্যবিত্তর আয়ের লোকেরা এই মেলার বেশি ক্রেতা বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও মেলা আয়োজক কমিটি। বর্তমানে মেলা বেশ জমজমাট হয়ে উঠেছে। বেচাকেনা ও বেশ ভাল হচেছ। আশা করছি সামনের দিন গুলো মেলায় ক্রেতাদের সংখ্যা ও বেঁচাকেনা ভাল হবে।

( বার্তা বিভাগ , মুহাম্মাদ মহাসিন = 01632912580 )

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের,তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।

Developed By H.m Farhad