,


সংবাদ শিরোনাম:
«» «» ঢাকা মেট্রোপলিটন ডিএমপি’র অপরাধ পর্যালোচনা সভায় পুরস্কৃত হলেন যারা «» মাদক সেবন,বিক্রেতা,আশ্রয় ও প্রশ্রয়কারী কাউকে ছাড় দেয়া হবে না-পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান «» ভালো-মন্দের এফডিসি «» তোতা কাহিনী,গল্পের বই প্রকাশিত বইমেলায়-লেখক আমিনুল ইসলাম মামুন «» কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সাথে সিআরইউ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় «» দেশের বড় বড় ব্যবসায়ী গ্রুপ এখন অনেক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের মালিক:বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল পদক প্রদান অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ «» ঢাকা জেলা জাতীয় পার্টির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা,সভাপতি সালমা ইসলাম-সম্পাদক ইমতিয়াজ «» কুমিল্লায় ট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কা, নিহত ৫ «» ভুলতে পারিনা তোরে মামুন সরকার…..

একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়ে ‘রেকর্ড

একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়ে ‘রেকর্ড

রুবিনা বেগমের বয়স মাত্র ১৯ বছর। প্রথমবারের মত মা হয়েছেন। আর প্রথমবারই একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়ে ‘রেকর্ড’ করেছেন। এ বিরল ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে।

এর আগে গর্ভাবস্থায় আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করতে গিয়ে ডাক্তার দেখেন,তার গর্ভে একসঙ্গে চারটি সন্তান রয়েছে। আগামী মার্চের শেষে বা এপ্রিলের গোড়ায় দিকে তার প্রসব হওয়ার কথা ছিলো।

কিন্তু বৃহস্পতিবার ভোর রাতেই তার প্রসব বেদনা ওঠে। তাকে সকাল সাড়ে ছ’টায় ভর্তি করানো হয় মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে। শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে মা হন রুবিনা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, একসঙ্গে চারটি মেয়ে এবং একটি অপরিণত মাংসপিণ্ডের জন্ম দেন রুবিনা।

আরো আশ্চর্যের কথা এই যে, কোনো সিজার লাগেনি, নর্মালভাবেই পাঁচ সন্তান জন্ম দিয়েছেন রুবিনা। সাধারণতঃ এ সব ক্ষেত্রে প্রচুর রক্তপাতের আশঙ্কা থাকে। তবে রুবিনার তেমন রক্তপাত হয়নি। তিনি পুরোপুরি সুস্থ আছেন।

একসঙ্গে চার বা পাঁচ সন্তানের জন্ম দেওয়া বিরল ঘটনা। এ সম্পর্কে রুবিনার চিকিৎসক মহকুমা হাসপাতালের স্ত্রী-রোগ বিশেষজ্ঞ অলোক সাঁতরা জানান, এমন ঘটনা ৮-১০ বছরে একটি ঘটে। আর জিনগত কারণেই এমনটা হয়ে থাকে।

রুবিনার স্বামী মকসেদ মহম্মদ পেশায় একজন দিনমজুর। ডেলিভারির আগে তার ওজন ছিল মাত্র ৩৯ কেজি। এত কম ওজন আর এতগুলি বাচ্চা নিয়ে পূর্ণ গর্ভাবস্থা কাটানো কঠিন বলেই বিশেষজ্ঞদের মত।

চিকিৎসক অলোক সাঁতরা আরো বলেন, ‘আর এক মাস পরে জন্মালে বাচ্চাদের শারীরিক অবস্থা আরও ভাল হতো।’

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জন্মের সময়ে চারটি কন্যার ওজন ছিল ৩৮৫ গ্রাম, ৫৮৫ গ্রাম, ৬৮২ গ্রাম, ৯০০ গ্রাম। বাকি অসম্পূর্ণ মৃত সন্তানটির দু’টো পা ও একটি হাত তৈরি হয়েছিল।

প্রসবের পর মেখলিগঞ্জ থেকে রুবিনা ও তার সন্তানদের জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। হাসপাতালে নেয়ার পথে তার এক সন্তান মারা গেছে বলে একটি অসমর্থিত সূত্রে জানা গেছে। তবে বাকি তিন সন্তান ও রুবিনা ভাল আছে।

সূত্র: আনন্দবাজার

3,266 total views, 1 views today

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের,তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।
Skip to toolbar