,


সংবাদ শিরোনাম:

এিশালে চেয়ারম্যান উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উন্নয়নের বরাদ্ধ আত্মসাৎ অভিযোগ?

মামুন মিয়া , প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহ এিশাল উপজেলার ৪ নং কানিহারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আশরাফ আলী উজ্জ্বল বিরুদ্ধে এলজিএসপির বরাদ্ধ, মসজিদ, ঈদগায়ের বরাদ্ধ টাকাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের বরাদ্ধ বাজার ইজারার টাকা ও রেজিষ্ট্র অফিসের ১% টাকা বিভিন্ন অযুহাতে আত্মসাৎ করা হয়েছে ২০১৬ ইং সনের জুলাই মাস হতে ২০১৯ইং এর আগাষ্ট মাস পর্যন্ত এলজিএসপি এর সরকারের বরাদ্ধকৃত অর্থের উপর কোন সভা নেই জানান অনেকে।

এই খাতে বরাদ্ধ ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় রিং, কালভার্ড স্থাপন না করেই বরাদ্ধকৃত অর্থ আত্মসাৎ করেছেন অভিযোগ জানাযায়। অপর দিকে সাব রেজিষ্ট্রী অফিস থেকে পাওয়া ১% টাকা বিভিন্ন অযুহাতে আত্মসাৎ করেছেন। তিনি হতদরিদ্রের বিষয়ে কোন সভা আহবান করেনি। এর আওয়তায় কর্মসূচিতে আংশিক লেবার দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎ অতি দরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচী ১০% নন ওয়েজের কাজ না করেই বরাদ্ধ অর্থ আত্মসাৎ গতা রতন কে দিয়ে ট্যাক্সের টাকা আদায় করান।

আদায়কৃত টাকা আনুমানিক ১৫-১৬ লাখ টাকা হবে উক্ত টাকা তিনি আত্মসাতৎ করেছেন। পরিষদের সদস্যদের সরকার কর্তৃক ঘোষিত পরিষদ থেকে ভাতা দেয়ার নিয়ম থাকলেও চেয়ারম্যান কাউকে ভাতা দেয়নি। বিজিডি কার্ডগুলো প্রত্যেক ওয়ার্ডের জনসংখ্যার হারে বিতরন না করে চরম বৈশম্য করেছেন। স্থানীয় লোকজন ও নির্বাচিত ইউপি সদস্যগন একাধিকবার এসকল জানতে চাইলে তাদের সাথে অসালিন আচরণ করেন। ফলে সাধারণ মানুষ ও ইউপি সদস্যদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

কানিহারী ইউনিয়নের দেওপারা জামে মসজিদের উন্নয়ন কাজের বরাদ্ধ ১ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মসজিদ কমিটির লোকদের সাথে প্রতারনা করে এ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেন। অপর দিকে থাপুন আলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ২ লাখ টাকা জমা রাখা হলে এ টাকা তিনি দেননি। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অভিযোগ করেছেন, এ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন। আহাম্মদাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠের উন্নয়ন কাজের ৫ লক্ষ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেন। এছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও গোরস্থানের নামে বরাদ্ধ নিয়ে বিভিন্ন কলা কৌশলে কমিটির মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করে সিংহভাগ টাকা নেন বলে জানা গেছে। সামাজিক আচার বিচারে তাকে খুশি করতে হয় বলে অনেকে জানান। হতদরিদ্র মানুষের মাঝে ভিজিএফ, ভিজিডি ও হতদরিদ্রদের পূর্নবাসনের লক্ষ্যে অর্থ বরাদ্ধের ক্ষেত্রে বিতরণ কাজে উৎকোচবাজি করেছেন।

এছাড়াও কার্ড বিতরণ ও অর্থ বরাদ্ধ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশাল অংশ তার আত্মিয় স্বজনদের নামে বরাদ্ধ রেখে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। বৃক্ষরূপন থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে বরাদ্ধ অর্থ আংশিক ব্যয় করে আত্মসাৎ করে থাকেন। তিনি সব চেয়ে বেশি দুর্নীতি করেছেন ৪০ দিনের কর্মসূচিতে। সংখ্যা ঘরিষ্ট ল্যাভার তার নিজ হেফাজতে রেখে চেকে স্বাক্ষর করিয়ে রেখে অর্থ উত্তলন করে আত্মসাৎ করেন। ৪০ দিনের কর্মসূচীতে অধিকাংশ লেভাররা উপস্থিত না থাকায় তাদের সাথে তিনি গোপন চুক্তি করে উত্তেলন কৃত টাকা ৫০% ভাগ করে নেন। ফলে হত দরিদ্ররা তাদের নামে বরাদ্ধ সমোদয় অর্থ পায়নি। অধিকাংশ শ্রমিকরাই ধনি ও প্রভাবশালী হওয়ায় তারা মাঠে না গিয়েই টাকা গুনে থাকেন। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, সরকারি বিভিন্ন বরাদ্ধের অর্থ আত্মসাৎ করে তিনি কোটি পতি বনে গেছেন। টিনের ছাপরা খানা থেকে ৩ তলা বারি করেছেন দুটি লরি,, এিশালে কোটি টাকায় ২ কাঠা জায়গা কিনে রেখেছেন। এলাকাবাসী অবাক যে, মহিষ রাখালের ছেলে রাতারাতি কোটি পতি বনে গেছেন। এ ব্যাপারে আশরাফ আলী উজ্জ্বল সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমার একজন কৃষক ছিলন নির্বাচনের আগে ৬ একর সম্পত্তি রেখে গেছে আমি যদি কোন দুর্নীতি করে থাকি তাহলে আইনত ব্যবস্থা নিবে আমি তা মাথা পেতে নেব।

প্রতিবেদক বারবার ফোন করা হলে ফোন ধরেন নি চেয়ারম্যান আশরাফ আলী উজ্জ্বল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের,তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।

Developed By H.m Farhad