,


সংবাদ শিরোনাম:
«» সামাজিক ও মানবিক কাজে বিশেষ অবদান রাখায় সম্মাননা পেলো শাকপুর ইউনিয়ন অনলাইন ব্লাড ব্যাংক «» ঢাকায় মানববন্ধনে বিচার দাবী ইটভাটার শ্রমিক পুড়িয়ে হত্যা গোপালগঞ্জে «» উত্তরা রিক্সা মালিক ঐক্য পরিষদের প্লেট বানিজ্যর শাসন-পুলিশের হয়রানী বন্ধে চাদাবাজী? «» কুমিল্লায় জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহের র‌্যালি ও আলোচনা সভা পালন «» গোপালগঞ্জে ইমদাদ হত্যার প্রতিবাদে এবং মাদক ও অবৈধ ইটভাটার পরিবেশ দুষনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন কারীদের হুমকির অভিযোগ «» লন্ডনে অনুষ্ঠিত হল ভৈরববাসীর মিলন মেলা «» বরুড়া উপজেলাকে কুমিল্লা জেলায় রেখে কুমিল্লা বিভাগ ঘোষণা করার দাবিতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। «» সিলেটে স্বামীকে  বেঁধে রেখে  স্ত্রীকে  ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩ «» উওরায় রাজপথের অপ্রতিরোধ্য জনপ্রিয় জনবান্ধবে,নিয়ামুল ইসলাম নাইচ «» ফেনী থেকে গ্রেফতার আলোচিত সেই শম্পা : নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার

গ্রাম বাংলায় বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহি মাটির তৈরি গরিবের এসি ঘর

রোকন মিয়া  : সুনামগঞ্জে আধুনিকতার উৎকর্ষতায় আর কালের আবর্তে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর এখন বিলুপ্তির পথে। মাটির ঘর গরীবের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘর বলে বিবেচিত ও পরিচিত। শীত ও গরম উভয় মৌসুমে আরামদায়ক এ ঘর।প্রাচীনকাল থেকে গ্রাম বাংলায় মাটির ঘরের প্রচলন ছিল। এঁটেল মাটি দিয়ে এসব ঘর তৈরী করা হতো।মাটি পানি দিয়ে ভিজিয়ে কাদায় পরিণত করে সেই কাদা ২০-৩০ ইঞ্চি চওড়া করে দেয়াল তৈরী করা হয়।এ দেয়াল তৈরি করতে বেশ সময় লাগে কারণ একসাথে বেশি উঁচু
করে তৈরি করা যায় না। প্রতিবারএক দেড় ফুট উঁচু করে দেয়াল তৈরি করা হয়। কয়েকদিন পর শুকিয়ে গেলে আবার তার উপর একই উচ্চতার দেয়াল তৈরি করা হয়। এভাবে দেয়াল ১০-১২ ফুট উঁচু হলে বেশ কিছুদিন ধরে রোদে শুকানো হয়। তারপর এই দেয়ালের ওপর বাঁশের চাল তৈরি করে খড় বা টিন দিয়ে ছাউনি দেয়া হয়। একটি মাটির ঘর তৈরি করতে প্রায় দেড় থেকে দুই মাস পর্যন্ত সময় লাগে। মাটির ঘড় শীত গরম উভয় মৌসুমে বেশ আরামদায়ক।তবে বন্যা,ভূমিকম্প বা প্রবল ঝড় না হলে এসব ঘর শতাধিক বছর পর্যন্ত টিকে থাকে। অনেক সময় মাটির
ঘর দোতলা পর্যন্ত করা হয়। এ সমস্ত ঘর বেশি বড় হয়না।গৃহিনীরা তাদের নরম হাতের কোমল ছোঁয়ায় নিপুনভাবে কাঁদা দিয়ে লেপে মাটির ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করত।এখন আর সেই মাটির
ঘড় চোখে পড়ে না বললেই চলে। তবে এখনো বাপ-দাদারস্মৃতি ধরে রাখতে অনেকেই খরচ করে দু’একটা মাটির ঘর টিকিয়ে রেখেছে। বর্তমানে মাটির ঘরের স্থান দখল করে নিয়েছে ইট,সিমেন্ট,বালি ও রডের তৈরি পাকা ঘরগুলো। মাটির ঘরগুলো বন্যা, ঝড়, জলোচ্ছাসের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিশেষ ক্ষতি সাধন হয়, বলেই মানুষ ইট সিমেন্টের ঘর-বাড়ি নির্মাণে আগ্রহী হচ্ছে । তাছাড়া গ্রামেরমানুষ আগের তুলনায় এখন অনেকআধুনিক৷ প্রতি বছর মাটির ঘরে খরচ না করে একবারে বেশি খরচ হলেও পাকা ঘর-বাড়িই নির্মাণ করছে।বর্তমানে মাটির ঘরের সংখ্যা কমতে কমতে প্রায় শূন্যের কাছাকাছিতে ঠেকেছে। হয়তো সেদিন খুব বেশি দূরে নয় যেদিন মাটির ঘরের কথা মানুষের মন থেকে হারিয়ে যাবে, আগামী প্রজন্মের মানুষের কাছে মাটির ঘর রূপকথার গল্পের মত মনে হবে।

71Times /রোকনের মিয়া /সুনামগঞ্জ ।

12,223 total views, 1 views today

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের,তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।

Developed By H.m Farhad

Skip to toolbar