,


সংবাদ শিরোনাম:
«» মাদারীপুরের মিন্টু জাতীয় পার্টি`র তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নির্বাচিত «» কুমিল্লায় বৈদ্যুতিক খুঁটি পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু   «» আওয়ামীলীগের রিনি“র চশমা মার্কার ভোট প্রচারে সরগরম মাঠে সমর্থকরা;ফায়দাবাদ-দক্ষিণখানে… «» তেঁতুলিয়ায় এবার “ইত্যাদি”প্রচার হবে ৩১ জানুয়ারি «» দেশের যেকোনো প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিপদগ্রস্ত মানুষ পুলিশের পরিচালিত জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোনে পাচ্ছেন সহায়তা «» টঙ্গীর সিরাজ উদ্দিন সরকার বিদ্যানিকেতন এন্ড কলেজ পরীক্ষার্থীদের মঙ্গল কামনায় দোয়া মাহফিল «» Character Analysis Essay Procedure «» কুমিল্লা জেলার ১১ ক্যাটাগরিতে ৮ পুলিশ কর্মকর্তার সাফল্য অর্জন।  «» পীর কাশিমপুরে জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন «» ”কুমিল্লা মুরাদনগরের মাদ্রাসা ছাত্র রহমতুল্লাহ ৫ দিন ধরে নিখোঁজ”

জাপার যুগ্ম মহাসচিব ফেরারি ফাঁসির আসামি-টঙ্গীতে নানা রকম ফেসবুকে ঝড় ?

 =তৎকালীন সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টারের খুনি পলাতক দীপুকে জাতীয় পার্টি পদ দিয়ে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন=

গাজীপুরের তৎকালীন সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ মাথায় নিয়ে ইউরোপের নানা দেশ ঘুরে বেড়াচ্ছেন নূরুল ইসলাম দীপু। ফেরারি এই আসামিকে দলের যুগ্ম মহাসচিব পদ দিয়েছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের শুক্রবার ১৪ জন যুগ্ম মহাসচিবের নাম ঘোষণা করেন। সেই তালিকার ৩ নম্বরে রয়েছে গাজীপুরের নূরুল ইসলাম দীপুর নাম।

বিদেশে পালিয়ে থেকে এতদিন জাতীয় পার্টির সহআন্তর্জাতিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।

আহসান উল্লাহ মাস্টারকে ২০০৪ সালের ৭ মে বাড়ির পাশের নোয়াগাঁও এম এ মজিদ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এক সমাবেশে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে ঘাতকরা। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই আওয়ামী লীগ নেতা মতিউর রহমান বাদী হয়ে টঙ্গী থানায় জাতীয় ছাত্র সমাজের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম দীপুকে প্রধান আসামি করে ৩০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল টঙ্গীর গোপালপুর এলাকার রফিকুল ইসলাম ওরফে রফু কন্ট্রাক্টরের ছেলে নূরুল ইসলাম দীপুসহ ২২ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন। নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলে ২০১৬ সালের ১৫ জুন উচ্চ আদালত দীপুসহ ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন।

হত্যার ঘটনার পর থেকেই ফেরারি দীপু। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ফাঁসির দণ্ড মাথায় নিয়ে বিদেশে গিয়ে ব্যবসা করছেন দীপু। পাশাপাশি রয়েছেন জাপার সহআন্তর্জাতিক সম্পাদকের দায়িত্বে। এরই মধ্যে জাতীয় পার্টি দীপুকে যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব দিয়েছে।

জাপার এ সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ মামলার বাদী মতিউর রহমান বলেন, আহসান উল্লাহ মাস্টারের খুনি পলাতক দীপুকে পদ দিয়ে জাতীয় পার্টি চিহ্নিত একজন অপরাধীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে। জাপার উচিত ছিল তাকে ধরে আইনের হাতে সোপর্দ করা। জাপার এমন সিদ্ধান্তকে ধিক্কার জানিয়ে মতিউর বলেন, মামলার প্রধান আসামি দীপুর বিচার দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানাই। সাজাপ্রাপ্ত দীপুকে জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে ঘোষণা করার পর থেকেই গাজীপুরে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে ধিক্কার জানিয়ে নানা রকম পোস্ট দিচ্ছেন। মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক রাসেল সরকার বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এমন একজন ঘাতককে কীভাবে জাপা এই পদে অধিষ্ঠিত করল? এ নিয়ে ঘৃণা জানানো ছাড়া আর কোনো ভাষা নেই।

( সমকাল-তথ্য,

আবডেট- মুহাম্মাদ মহাসিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের,তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।

Developed By H.m Farhad