,


সংবাদ শিরোনাম:

তাহিরপুরে ভাঙ্গা বাঁশের সরু সেতু ভোগান্তি থেকে মুক্তি ও সেতু সংস্কার চায় স্থানীয়রা!

তাহিরপুরে ভাঙ্গা বাঁশের সরু সেতুটি নদীপাড়ের একমাত্র উপায়, 

তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা : সুনামগঞ্জে­র তাহিরপুর উপজেলার ৩নং বড়দল দক্ষিন ইউনিয়ন পরিষদের চতুর্ভুজ কামারকান্দি সড়কের ভাঙ্গা বাঁশের সেতুটি এই নদী পরাপারের একমাত্র অবলম্বন। এই ভাঙ্গা বাঁশের সেতুটি দিয়ে নদী পারাপারে,এই এলাকার জনমানুষের পায়ে হেটে অথবা যানবাহন নিয়ে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হয়। যে কোন দিন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে ।সেতুটির মাঝখানে বাঁশ বেঙ্গে যাওয়ার কারনে এই আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই পথদিয়ে নদী পরাপার হয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল হতে আগত পর্যটকগন উপজেলার বানিজ্যকেন্দ্র বাদাঘাট বাজার হয়ে কাউকান্দি বাজার-বালিয়াঘাট বাজার দিয়ে নয়না ভিরাম ট্যাকারঘাট নিলাদ্রী (শহীদ সিরাজ লেক)যেতে হয়, শুধু তাই নয় এক সাথে প্রকৃতির সৌন্দর্যের নীলাভূমি টাংগুয়ার হাওর ও টেকেরঘাট এই দুটি পর্যটন স্পটে সড়কপথে যাতায়াতের জন্য এই পথটি পর্যটকদের জন্য সুবিধাজনক। কিন্তু বর্তমানে এই পথে ছোট একটি নদী পরাপারে যে সরু সেতুটি রয়েছে তাহা মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ।এই ঝুকিপূর্ণ সেতুটি দিয়ে, ঝুঁকি নিয়ে প্রয়োজনের তাগিদে পারাপার হতে দেখা গেলেও শীতের শুরুতেই এই পথে দিয়ে দেশ বিদেশ থেকে আসা পর্যটক সহ উপজেলার একাধিক ইউনিয়নের এমনকি পার্শ্ববর্তী ধর্মপাশা উপজেলার উত্তরপুর্বাঞ্চলের একাধিক গ্রাম সহ এই পথ দিয়ে হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে থাকেন।শুধু তাই নয় এই পথ দিয়ে কাউকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়,কাউকান্দি বাজার মাদ্রাসা,বাদাঘাট সরকারী কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করে থাকে। বর্তমানে এই বাঁশের সরু সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায়,এলাকার শিক্ষার্থী, জনসাধারণ সহ দেশের বিভিন্ন স্থান হতে আগত পর্যটকদের বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভেঙে যাওয়া বাঁশের সরু সেতুটি পূর্ণ নির্মান অথবা স্থায়ীভাবে কোন ব্যবস্থা না নিলে যে কোনদিন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে যওয়ার সম্ভাবণা রয়েছে।

স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন,এই দুর্ভোগ কবে শেষ হবে আমরা কবে এই মুক্তি পাব দুর্ভোগ থেকে।বেশ কয়েকদিন ধরেই বেহাল দশায় রয়েছে বাঁশের সেতুটি দেখার কেউ নেই।আমরা এর স্থায়ী সমাধান চাই।তারা আরো বলেন এই সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার লোক চলাচল করে থাকেন দুর্ভোগ নিয়ে।এই বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আজহার আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি গণমাধ্যম কে বলেন,আমি এই সেতুটিকে দুইবার মেরামত করেছি আমি আর কতবার মেরামত করব,এখন যারা এই এলাকায় মোটর সাইকেল ভারাটিয়া ভাবে চালিয়ে থাকেন তারা সেতুটিকে আপাতত মেরামত করুক।

তাহিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান করুণা সিন্দু চৌধুরী বাবুল গণমাধ্যম কে বলেন,আমি এই এলাকার মানুষকে অনেক ভালোবাসী তারা হাওর পাড়ের মানুষ এই সেতুটি অনেক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এই এলাকার জনসাধারণ অনেক দুর্ভোগে রয়েছেন ।আমি আমার উপড় মহলে এই সেতুটি নিয়ে কথা বলেছি, আমি আশাবাদী এর সমাধান হবে আমি আপ্রান চেষ্টা করছি যাতে এর স্থায়ী সমাধান হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের,তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।

Developed By H.m Farhad