,


সংবাদ শিরোনাম:

তাহিরপুর উপজেলা আ.লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ ওঠেছে

নিউজ ডেস্ক : তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামিলীগ এর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নামে স্থানীয় প্রিন্ট প্রত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশে অপপ্রচারকারীর কুচক্রের বিরুদ্ধে তীব্রনিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তাহিরপুর উপজেলার সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আবুল হোসেন খাঁন ও তাহিরপুর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক অমল কর।

তাহিরপুর উপজেলার আওয়ামীলীগ এর সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আবুল হোসেন খাঁন ও সাধারণ সম্পাদক অমল করকে নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ মিথ্যা অপপ্রচার করে আসছে একটি কুচক্রী মহল এমনটাই অভিযোগ ওনাদের।

তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামিলীগ এর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বিগত ২০০৮ থেকে ২০১৯ ইং পর্যন্ত দলের পদবী ব্যবহার করে বিতর্কিত কর্মকান্ড করে আসছেন, চাঁদাবাজি করে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির পাহাড় গড়েছেন ও গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে এবং সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আনিসুল হকের পক্ষে কাজ করেন,দলীয় মনোনীত প্রার্থীকে ভোট না দেওয়ার জন্য মুসলিম সম্প্রদায়কে উস্কানি প্রদান করেন এবং বিএনপি,জামায়াত,নাশকতার মামলার আসামীদের দলে যোগদান করান ও বড়ছড়া,চারাগাঁও ও বাগলী শুল্ক স্টেশনে সন্ত্রাসী বাহিনী দেয়ে ব্যাপক চাঁদাবাজি করে আসছেন।সরেজমিনে পরিদর্শনে যার প্রমাণ মেলেনি ।

স্থানীয় জনসাধারণের কাছ থেকে জানাযায়-তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আবুল হোসেন খাঁন ও সাধারণ সম্পাদক অমল কর সাহেব তাঁরা অত্যন্ত ভালো মানুষ,তাঁরা গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রকাশে দলীয় মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে মাঠে কাজ করেন।বড়ছড়া,চারাগাঁও এবং বাগলী শুল্ক স্টেশনে তাঁদের চাঁদাবাজির কোন প্রমান পাওয়া যায়নি।
লিখিত অভিযোগের সত্যতা বাস্তবে পাওয়া যায়নি। আরো জানাযায় তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আবুল হোসেন খাঁন তিনি ন্যায় বিচারক, অন্যায়ের সাথে আপোষহীন, তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অনেক অবদান রাখেন ও ৪ দলীয় জোট ক্ষমতায় থাকাকালিন তিনি দীর্ঘ ৮ মাস কারাবন্দী ছিলেন এবং ৪ দলীয় জোটের একাধিক মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছিলেন ।

এবং তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামিলীগ এর সাধারণ সম্পাদক অমল কর একজন শহিদ পরিবারের সন্তান,আওয়ামীলীগের দুর্দিনের ত্যাগী নেতা। ৪ দলীয় জোট ক্ষমতা থাকাকালিন তাঁর বাড়ি-ঘর ভাংচুর সহ দোকানপাটে লুটপাট চালানো হয়। এ বিষয়ে-তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামিলীগ এর সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আবুল হোসেন খান বলেন-আমি একজন আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান।আমি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযুদ্ধাদের বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা করেছিলাম এবং তাহিরপুর উপজেলা মুক্তি সংগ্রাম কমিটির সদস্য ছিলাম। আমি বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালিন দীর্ঘ ৮ মাস কারাবন্দী ছিলাম। একাধিক মিথ্যা মামলা নিয়েও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে দল টিকে টিকিয়ে রেখেছি।আমি দুর্দিনে একাধিক মামলার আসামি হয়েও আওয়ামীলীগ দল ছেড়ে যাইনি। যখনি নির্বাচনের সময় আসে তখনি কিছু সংখ্য সুবিধাবাদী ও আওয়ামীলীগে অনুপ্রবেশকারী নেতারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার করে ।কোন শুল্ক স্টেশনে আমার কোন সন্ত্রাস বাহিনী নেই বা শুল্ক স্টেশন কমিটির কোন পদেও নেই। আমি কোনো জায়গায় চাঁদাবাজি করিনা।সুবিধাবাদী লোকদের সুবিধার জন্যেই আমার সুনাম ক্ষুণ্ণ করার জন্য মিথ্যা অপপ্রচার করে আসছে জামাত বিএনপি থেকে আগত একদল কুচক্রী মহল।

এবিষয়ে-তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন-আমি একজন শহিদ পরিবারের সন্তান।আমার পরিবারের সবাই আওয়ামীলীগ পরিবারের লোক।আমি কিশোর কাল থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে আওয়ামীলীগ দল করে আসছি।এমনকি বিগত সময়ে ৪ দলীয় জোট ক্ষমতায় থাকাকালীন একাধিক মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছিলাম। শুধু তাই নয় ৪ দলীয় জোট ক্ষমতায় থাকাকালিন দীর্ঘ ১ মাস কারাবন্দী ছিলাম।সে সময় বি এন পির অসাধু নেতারা আমার দোকান,ঘরবাড়ি ভাংচুর করে।এমনকি আমার ছোট ভাইকে মিথ্যা খুনের মামলা দিয়ে হয়রানীর করে।তার পরও দল ছেড়ে যাইনি। আওয়ামীলীগে অনুপ্রবেশকারী কিছু অসাধু নেতারা আমার ও আবুল হোসেন খাঁন এর নামে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ এনেছে। তাঁরা অন্য দল থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসেছে আওয়ামীলীগে।তারা সুবিধা হাতিয়ে নেওয়ার জন্যই আমাদের নামে মিথ্যা অপপ্রচার করে আসছে।

10,472 total views, 4 views today

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের,তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।

Developed By H.m Farhad