,


সংবাদ শিরোনাম:
«» মাদারীপুরের মিন্টু জাতীয় পার্টি`র তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নির্বাচিত «» কুমিল্লায় বৈদ্যুতিক খুঁটি পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু   «» আওয়ামীলীগের রিনি“র চশমা মার্কার ভোট প্রচারে সরগরম মাঠে সমর্থকরা;ফায়দাবাদ-দক্ষিণখানে… «» তেঁতুলিয়ায় এবার “ইত্যাদি”প্রচার হবে ৩১ জানুয়ারি «» দেশের যেকোনো প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিপদগ্রস্ত মানুষ পুলিশের পরিচালিত জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোনে পাচ্ছেন সহায়তা «» টঙ্গীর সিরাজ উদ্দিন সরকার বিদ্যানিকেতন এন্ড কলেজ পরীক্ষার্থীদের মঙ্গল কামনায় দোয়া মাহফিল «» Character Analysis Essay Procedure «» কুমিল্লা জেলার ১১ ক্যাটাগরিতে ৮ পুলিশ কর্মকর্তার সাফল্য অর্জন।  «» পীর কাশিমপুরে জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন «» ”কুমিল্লা মুরাদনগরের মাদ্রাসা ছাত্র রহমতুল্লাহ ৫ দিন ধরে নিখোঁজ”

দেশের যেকোনো প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিপদগ্রস্ত মানুষ পুলিশের পরিচালিত জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোনে পাচ্ছেন সহায়তা

দেশের যেকোনো প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিপদগ্রস্ত মানুষ পুলিশের পরিচালিত এই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে যেকোনো ধরনের সহায়তা পেয়ে যাচ্ছেন।
  প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদের নির্দেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ কালিয়াকৈর হাইটেক পার্কে ৯৯৯ ব্যবহার করে জাতীয় হেল্পডেস্ক চালু করে। এতে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবাদানের জন্য ২০১৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০১৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত পরীক্ষামূক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। উল্লিখিত সময়ের গৃহীত কল বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, সেবাপ্রত্যাশীদের মধ্যে ৬৪.৮০ ভাগ পুলিশি সেবা, ৩১.১০ ভাগ ফায়ার সার্ভিস ও ৪.১০ ভাগ অ্যাম্বুলেন্স সেবার জন্য কল করেন।
 
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর কল রিপোর্টের তথ্যানুযায়ী, ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর চালু হওয়ার পর চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ সর্বমোট ১ কোটি ৫৯ লাখ ৩৩ হাজার ৯৯৭টি কল রিসিভ করে। যার মধ্যে ৩২ লাখ ৬৯ হাজার ১৫২টি কলের সেবা প্রদান করাসহ ১ লাখ ৯৬ হাজার ৩৫টি জরুরি কলে সাড়া দিয়ে পুলিশ, ফায়ার ও অ্যাম্বুলেন্স জরুরি সেবা প্রদান করা হয়।
 
স্বতন্ত্র কমপ্লেক্স : স্বতন্ত্র কমপ্লেক্স তৈরি করে ৫৫০ সিটের অত্যাধুনিক কল সেন্টার তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যে ঢাকার ডেমরায় জাতীয় জরুরি সেবার ৯৯৯-এর নামে জমি বরাদ্দ ও অধিগ্রহণের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সেখানে ৯৯৯-এর রেসপন্স টিমের জায়গাসহ উন্নত বিশ্বের সঙ্গে প্রযুক্তিগত সকল বিষয়ে মিল রেখে কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।
 
থানা ও ফায়ার স্টেশন অটোমেশন : সকল থানাকে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং ব্যবস্থাপনার (থানা ডেসপাস সিস্টেম) মধ্যে আনার কার্যক্রম গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। একইভাবে দেশের সকল ফায়ার স্টেশনকে কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং ব্যবস্থাপনার মধ্যে নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে।
জনবল ও ট্রান্সপোর্ট : সকল থানাকে মোটরসাইকেল ও প্যাট্রল কার প্রদানের লক্ষ্যে ডিপিপি তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। সারা দেশের অ্যাম্বুলেন্সগুলোকে ৯৯৯-এর একটি গাইডলাইন অনুযায়ী একই ছাতার নিচে আনার সুপারিশ করা হয়েছে।
 
প্রশিক্ষণ : রেসপন্স টিমের সদস্যদের যেকোনো জরুরি মুহূর্তে কী করতে হবে তার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করে বর্তমানে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ কাজ করছে। এই প্রশিক্ষণকে আরও আন্তর্জাতিক মানের ও আধুনিকায়ন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
 
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ তবারক উল্লাহ বলেন, আমাদের পরিকল্পনাগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে সংকটাপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানো, দুর্ঘটনা বা অপরাধ প্রতিরোধ করা, অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা করে আক্রান্ত মানুষকে দ্রুততম সময়ে হাসপাতালে পাঠানোসহ অন্যান্য জরুরি সেবা প্রদান করা সম্ভব হবে। রেসপন্স টাইম ১০ মিনিটের নিচে কমিয়ে আনা যাবে।
( আপডেটে- মুহাম্মাদ মহাসিন )

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের,তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।

Developed By H.m Farhad