,


সংবাদ শিরোনাম:
«» এস.এম. আজহারুল ইসলাম স্মৃতি নাইট ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন অন্বেষা ক্লাব «» সামাজিক ও মানবিক কাজে বিশেষ অবদান রাখায় সম্মাননা পেলো শাকপুর ইউনিয়ন অনলাইন ব্লাড ব্যাংক। «» জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন বন্যা ও ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে «» মোহনা টিভির জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মুশফিকুর রহমানকে উদ্ধার করা হয়েছে «» আত্মত্যাগের বিনিময়েই হয় কোরবানি  «» উত্তরাতে বাংলাদেশ কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির নতুন কমিটি গঠন «» ডেঙ্গু প্রতিরোধে জাককানইবি’তে ছাত্রলীগের পরিচ্ছন্নতা অভিযান «» জাককানইবি’র অধীনে এমডিএস কোর্সের পূণর্মিলনী অনুষ্ঠিত «» টঙ্গীর সাংবাদিকদের সাথে গণসচেতনতামূলক মতবিনিময়ে আওয়ামীলীগের নেতারা! «» জাককানইবি’তে বঙ্গবন্ধু নীলদলের মাস ব্যাপি কাল ব্যাজ ধারণ কর্মসূচী

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তাদের শপথ পড়ান

মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়া ইমরান আহমদকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ফজিলাতুন নেসা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেখবেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

শনিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দফতর বণ্টন করে  করা হয়েছে। ইমরান আহমদ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

এর আগে সন্ধ্যায় ইমরান আহমদ মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফজিলাতুন নেসা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তাদের শপথ পড়ান।

গত বৃহস্পতিবার ইমরান আহমদকে মন্ত্রী ও ফজিলাতুন নেসাকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। শপথ নেয়ার দিন থেকে এ নিয়োগ কার্যকর হবে বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়।

নতুন একজন যুক্ত হওয়ায় এবং পুরনো একজনের পদোন্নতির পর মন্ত্রিসভায় এখন ২৫ জন মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী ও তিনজন উপমন্ত্রী।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের ছয় মাসের মাথায় সম্প্রসারিত হলো মন্ত্রিসভা। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গত ৭ জানুয়ারি টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। ৪৬ সদস্যের ওই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৪ মন্ত্রী, ১৯ প্রতিমন্ত্রী ও তিনজন উপমন্ত্রী স্থান পান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে ছয় মন্ত্রণালয় রাখা হয়।

পরে গত ১৯ মে মন্ত্রিসভা পুনর্বিন্যাস করা হয়। তখন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়। এছাড়া ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারকে একই মন্ত্রণালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী করা হয়। এ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব দেয়া হয় প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে।

একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানীয় সরকার বিভাগের মন্ত্রী করা হয় তাজুল ইসলামকে। তাকে আগে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও স্বপন ভট্টচার্যকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। একই মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান স্বপন ভট্টাচার্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের,তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।

Developed By H.m Farhad

Skip to toolbar