,


সংবাদ শিরোনাম:

শিবচর মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে চীফ হুইপ লিটনের উদ্যোগ বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন

শিবচরকে সারাদেশের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধময় এক শহরে রূপ দিয়েছেন-মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে দেশে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন

মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে মরহুম ইলিয়াছ আহমেদ চৌধুরী দাদাভাইয়ের বড় ছেলে বর্তমান জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ ও আওয়ামী লীগ সংসদীয় দলের সাধারণ সম্পাদক মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের টানা ৬ বার নির্বাচিত সফল সংসদ সদস্য নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটনের উদ্যোগ দেশে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। শিবচরকে যেন লাল-সবুজের শাড়ি পরানো হয়েছে! শহরের রাস্তাঘাট, দেওয়াল, দোকানপাট সব লাল-সবুজে সজ্জিত হয়েছে।
জানা যায়, ভৌগলিক কারণে দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশ দ্বার মাদারীপুরের শিবচর উপজেলাটি বহুল পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ। মহান মুক্তিযুদ্ধে এই উপজেলার বীর সন্তানদের রয়েছে অনন্য অবদান। তৎকালীন প্রাদেশিক সরকারের এমপি বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে ইলিয়াছ আহমেদ চৌধুরী দাদাভাই ছিলেন মুজিব বাহিনীর কোষাধ্যক্ষ ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। তার দিক নির্দেশনাতে শিবচর থেকে পার্শ্ববর্তী ৯ উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়।
উপজেলাটিতে ঢুকতেই প্রথমে বঙ্গবন্ধুর বড় বোন চৌধুরী ফাতেমা বেগম পৌর অডিটোরিয়ামের সামনে প্রবাহমান ৭১ ভাস্কর্য, কলেজ মোড়ে স্বাধীনতা স্তম্ভ, ৭১ সড়কের প্রুবেশমুখে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিস্তম্ভ। উপজেলা পরিষদের সামনে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাস্কর্য। শহীদদের কবরের পাশে তৈরি করা হয়েছে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ। যেখানে স্থানীয় ১৩ জন শহীদদের নামসহ যুদ্ধের ইতিহাস বর্ণনা করা হয়েছে। শেখ ফজিলাতুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভিতরে তৈরি করা হয়েছে শেখ ফজিলাতুন্নেছার এক অসাধারণ ভাস্কর্য। এছাড়া ৭১ চত্বর, বিজয় চত্বর, বরহামগঞ্জ চত্বর, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সভবন, বিভিন্ন রাস্তাঘাট শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামকরণ, স্কুলের বিভিন্ন ভবন মুক্তিযোদ্ধাদের নামকরণ, বিভিন্ন সেতু মুক্তিযোদ্ধাদের নামকরণসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর মুর্যালসহ অসংখ্য মুর্যাল। সব মিলিয়ে এ যেন জাতীয় পতাকার লাল সবুজের সমারোহ ও ভাস্কর্য সমৃদ্ধ এক উপজেলা।

সিনিয়র সাংবাদিক প্রণব কুমার সাহা অপূর্ব বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এমপি মহোদয়ের উদ্যোগ দেশে বিরলদৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে যে ধরনের উদ্যোগ নেই তা শিবচরে আছে। তাই সারাদেশে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষনে লিটন চৌধুরীর শিবচরকে মডেল হিসেবে নেওয়া উচিত।

সদ্য যোগদানকারী দক্ষ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমি দেশের অনেক স্থানে দায়িত্ব পালন করেছি। তার মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে শিবচরকে আমার কাছে ব্যতিক্রম মনে হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর আর্দশ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে শিবচর ও চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন সারাদেশে দৃষ্টান্ত হতে পারে।

শিবচরের কৃতি সন্তান জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো: মুনির চৌধুরী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক দাদাভাইয়ের সুযোগ্য উত্তরসুরি বর্তমান চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন শিবচরকে সারাদেশের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধময় এক শহরে রূপ দিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের,তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।

Developed By H.m Farhad

Skip to toolbar