,


সংবাদ শিরোনাম:
«» আসুন প্রকৃত বাঙ্গালী হই ! সাংবাদিক রোকন «» নেত্রকোনায় ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত। «» মুন্সীগঞ্জে লবনের দাম বৃদ্ধির গুজবে হাট বাজারে লবন কেনার ধুম । দোকান গুলোতে লবন শূন্য ৪৫ জন দোকানিকে কে জরিমানা «» বি পি এল কে কোন দলে, জানলে অবাক হবেন। «» স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বেড়ে ওঠা সম্ভাবণাময় ক্ষুদে কবি মুহাম্মদ সবুজ হোসেন «» পেঁয়াজের পর এবার চালের বাজারে আগুন «» মুরাদনগরের ‘বাঙ্গরাবাজার প্রেসক্লাব’ গঠিত জাহাঙ্গীর আলম ইমরুল সভাপতি, আবুল কালাম আজাদ সাধারণ সম্পাদক «» বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট থানাধীন মাদ্রাসাঘাট এলাকা হতে ১৭৭ পিচ ইয়াবাসহ ০১ জন ইয়াবা ব্যবাসয়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। «» উত্তরা ১২ নং সেক্টর বালুর মাঠ বস্তিতে মাদক-দখল বাণিজ্যে কালাম অপ্রতিরোধ্য! «» জাককানইবি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ

শীতে শিশুর যত্ন

নিউজ ডেস্ক :
শীত আসতে আর বেশি দেরি নেই। শীতকালে নবজাতকের যত্ন নিয়ে সবাই চিন্তায় থাকেন। এই সময় নবজাতকের জন্য বাড়তি যত্নের প্রয়োজন হয়। এসময় শিশু সাধারণ জ্বর ঠান্ডা থেকে বিভিন্ন ভাইরাল অসুখ, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া ইত্যাদি জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

শিশুদের ত্বক হয় খুব সংবেদনশীল এবং স্পর্শকাতর। শীতের আর্দ্র আবহাওয়াতে শিশুর ত্বক হয়ে যায় শুষ্ক ও নিষ্প্রাণ। শুষ্ক চামড়ার কারণে শিশুরা আরও বেশি সমস্যার সম্মুখীন হয়। এই সময় নবজাতকের জন্য বাড়তি যত্নের প্রয়োজন হয়।

শীতকালে শিশুদের যত্নে করণীয় কি এবং কিভাবে পরিচর্যা করতে হবে জেনে নেয়া যাকঃ

সাধারণত শিশু মায়ের গর্ভের স্বাভাবিক তাপমাত্রা থেকে ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরে পারিপার্শ্বিক তাপমাত্রার সাথে খাপ খাওয়াতে পর্যাপ্ত তাপের ব্যবস্থা করতে হবে। মায়ের স্বাস্থ্যের সঙ্গে নবজাতকের স্বাস্থ্য সম্পর্কযুক্ত। এজন্য মায়ের স্বাস্থ্যেরও যত্ন নিতে হবে।

জন্মের পর পরেই শিশুকে প্রচুর মায়ের বুকের শাল দুধ খাওয়াতে হবে আর এতে করে খুব জলদি তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হবে। ঘন ঘন মায়ের বুকের দুধ খাওয়ার ফলে শিশু সহজে ঠাণ্ডা, কাশি ইত্যাদিতে আক্রান্ত হবে না। অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে শিশুর চাহিদা অনুযায়ী বুকের দুধ পাচ্ছে কিনা।

শিশুকে কিছুক্ষণ রোদে মেলে ধরুন। রোদ থেকে শরীর ভিটামিন ডি গ্রহণ করবে। সূর্য শীতের প্রভাব কমাবে এবং শিশুকে আরো সক্রিয় ও প্রাণবন্ত করে তুলবে। এ সময় সতেজ বাতাসও গ্রহণ করতে সক্ষম হবে শিশু।

প্রতিদিনই নবজাতকের শরীর ম্যাসেজ করতে হবে। ম্যাসেজ শরীরের রক্ত প্রবাহ স্বাভাবিক রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে মজবুত করে। বাচ্চার গোসলের আগে এক বা দুই ঘণ্টা ম্যাসেজ করুন। ম্যাসেজে নারকেল তেল, বাদাম তেল এবং জলপাই তেল ব্যবহার করুন। কুসুম গরম পানি দিয়ে শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে পারেন। তবে গোসল করানোর সময় কানে যাতে পানি না ঢুকতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

নবজাতক শিশুর ত্বক ও শ্বাসতন্ত্র অত্যন্ত নাজুক ও অপরিণত। তাই শিশুর দেহ বেশি তাপ ধরে রাখতে পারে না ও সহজেই ঠাণ্ডা হয়ে যায়। শিশুর দেহ উষ্ণ রাখতে তাকে পর্যাপ্ত আরামদায়ক গরম কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে।
ঠাণ্ডা তীব্র হলে শিশুর ঘরে আর্দ্রতা পরিবাহক যন্ত্র (হিউমিডিফায়ার) ব্যবহার করতে পারেন। এতে ঘরে আর্দ্রতা বজায় থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের,তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।

Developed By H.m Farhad