স্টাফ রিপোর্টার।।
কুমিল্লা জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ডে আইদি পরিবহনের কাউন্টারে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে, বোগদাদ পরিবহনের শ্রমিকদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের নির্দেশে প্রশাসন আইদি পরিবহনের কাউন্টার সিলগালা করে। এদিন সন্ধ্যার পর বোগদাদ পরিবহনের শ্রমিকরা সেখানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে দাবি করেন আইদির মালিক পারভেজ। এ ঘটনায় আইদি পরিবহনের অন্তত ৬ জন শ্রমিক আহত হন বলে জানান কতৃপক্ষ, আহতদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আইদি ও বোগদাদ পরিবহনের মধ্যে অভ্যন্তরীণ বিরোধ চলছিল। আইদি পরিবহনের কিছু বাসের কাগজপত্র হালনাগাদ না থাকায় আদালতের নির্দেশে প্রশাসন তাদের পরিবহন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখে। কিন্তু পরবর্তীতে বোগদাদ পরিবহনের শ্রমিকরা আইদি পরিবহনের কাউন্টারে এসে এ হামলা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইফতারের পর পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। বোগদাদ পরিবহনের শ্রমিকরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং আইদি পরিবহনের ৫টি বাস ভাঙচুর করে।পরবর্তীতে বোগদাদ পরিবহন এর শ্রমিকরা আইদি পরিবহনের বাস কুমিল্লা থেকে চলে যাওয়ার জন্য চাপ দিলে আইদি পরিবহনের বাসগুলো কুমিল্লা থেকে চলে যায়। আইদি পরিবহনের চেকার জামান জানান, প্রশাসনের নির্দেশ মেনে তারা পরিবহন চলাচল বন্ধ রেখেছিলেন, তবে বোগদাদ পরিবহনের শ্রমিকরা কেন তাদের ওপর এমন হামলা চালালো, তা তারা বুঝতে পারছেনা। প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এ ঘটনায় বোগদাদ পরিবহনের মালিক আব্দুল হক এর সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি।আইদি পরিবহনের মালিক পারভেজ জানান,প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আমরা পরিবহন বন্ধ রেখেছি,কিন্তু বোগদাদ পরিবহনের লোকেরা আমার কাউন্টার এবং পরিবহনের উপর হামলা করে।আমি কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছি। এ বিষয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি মুঠোফোনে জানান আমি দুই পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি।তদন্তের জন্য দুটি অভিযোগই কুমিল্লা ইপিজেড ফাড়িতে পাঠিয়েছি বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।