,



সংবাদ শিরোনাম:
«» কিশোরগঞ্জ-২(কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া)সবখানেই রয়েছে জনপ্রিয়তা নূর মোহাম্মদের «» ঢাকা-১৮ নৌকার মাঝি হতে চান মমতাজ উদ্দিন মেহেদী আইনজীবী নেতা সাবেক ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সম্পাদক «» ঢাকা-১৮ আসনে মহাজোটের প্রার্থী জি এম কাদের আলোচনায় «» ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে শাকপুর ইউনিয়ন অনলাইন ব্লাড ব্যাংক & ডোনার ক্লাব এর উদ্যেগে ইভটিজিং ও মাদক রোধে র‍্যালী ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত «» মাদারীপুর-১ শিবচর জনগনকে শুভেচ্ছা-জাতীয় পার্টির এম পি প্রার্থী মিন্টু,নির্বাচনে প্রস্তুতি… «» ঢাকা-১৮ আসনে জাতীয় পাটির এম পি প্রার্থী জি এম কাদের-জাপা নেতারা সবর «» জননেতা আনিসুর রহমান নাঈম এর হাতে গড়া তৃণমূল নেতা-কর্মী রাজপথে প্রস্তুত «» শিবচর ছাত্রদলের সভাপতি রিপন মুন্সির মুক্তির দাবী «» কুমিল্লা-৮(বরুড়া) আসনে জাপার এমপি-আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট কামরুল,নজরুল,মিয়াজী,বিএনপির সুমন ও বাদরু মাঠে সবর «» ফরিদপুর-২ নগরকান্দা-সালথা) বিএনপির প্রচারণায় প্রার্থী শামা ওবায়েদ

আধুনিক রাষ্ট্র সমূহের শিক্ষা ব্যবস্থা ও বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং আমাদের করণীয়

শক্ষিাই দশে – জাতরি মরেুদন্ড। একটি সুখি সমৃদ্ধশালী জাতি গঠনে শক্ষিাই হচ্ছে মূল চালকিা শক্ত।ি যে কোন জাতি গঠনে শক্ষিাই হচ্ছে সফলতার মূল চাবকিাঠ।ি শক্ষিা ছাড়া কোন জাতি কোন কালইে বশ্বিরে দরবারে মাথা উচু করে দাড়াতে পারনেি পারবেওনা কখনো। শক্ষিা ক্ষত্রেে যে জাতি যতো বড় শক্ষিতি, সে জাতইি বশ্বিরে সবচ’ে সন্মানী ও সুখি ।

শক্ষিা ব্যবস্থারর্ যাংরকংিয়রে বশ্বিরে র্শীষে রয়ছেে এশযি়ার ক্ষুদ্র দ্বীপদশে সঙ্গিাপুর। তাদরে রয়ছেে সবচযে়ে প্রশংসতি স্কুল পদ্ধত।ি

একজন বর্তিকতি কট্টরপন্থী নতোর কারণইে এমনটা সম্ভব হয়ছেে বলে মনে করনে বশ্লিষেকরা। তবে এই ভাল যোগ্যতা র্অজনরে জন্য শক্ষর্িাথীদরে চড়া মূল্য দতিে হয়। সঙ্গিাপুররে এই সফলতার পছেনরে কয়কেটি কারণ তুলে ধরা হল।
কঠোর পরশ্রিম:
১২ বছর বয়সী স্কুল শক্ষর্িাথী জ্যাকরে সাপ্তাহকি র্কমপরকিল্পনা বা সময়সূচী র্পূণ হয়ে গছে।ে এবং বাকি মাস-জুড়ে পরস্থিতিি এমনটাই থাকব।ে সোমবার, তার এর্লাম ঘড়ি ভোর ৬টার সময় বাজ।ে সকাল সাড়ে ৭টায় সে গণতিরে জটলি সমস্যা সমাধান নযি়ে পড়ালখো শুরু কর।ে মঙ্গলবার, চীনা ভাষা ম্যান্ডারনি অনুশীলনরে পর ঘড়ি ধরে ৪৫ মনিটিরে বরিতি নযে় জ্যাক। এমন আরকেটি বরিতি সে নযে় শুক্রবার।ে সটোও বকিাল সাড়ে ৪টা থকেে সোয়া পাঁচটা র্পযন্ত। র্অথাৎ ৪৫ মনিটি। সপ্তাহরে অন্য দনিগুলোর মতো জ্যাক শনবিারও গণতি, বজ্ঞিান, ম্যান্ডারনি ভাষা এবং ইংরজেরি পাঠগুলো নযে়। তবএেই দনিরে রুটনিে সে নজিকেে কছিুটা কম ব্যস্ত রাখ।ে এমন কি দুই ঘণ্টার বরিতি ওনযে়। কন্তিু রববিার,ে সইে একই রুটনি আবার শুরু হয় – যটো কনিা শষে হয় রাত৯টায় জ্যাক বছিানায় যাওয়ারপর।জ্যাকরে মতো সঙ্গিাপুররে এমন হাজার হাজার শক্ষর্িাথী তাদরে প্রাথমকি স্কুলরে ফাইনাল পরীক্ষায় ভালো প্রস্তুতরি জন্য এরকম কড়া রুটনি অনুযায়ী চল।েএবষিয়ে কথা হয় জ্যাকরে মা এর সঙ্গ।েশরেলি আই ও’র নামে ৪২ বছর বয়সী এই নারী পশোয় এক জন ব্যাংক র্কমর্কতা। ছলেরে এমন রুটনি বাঁধা জীবন নযি়ে তনিি বলনে, “জ্যাক এসব নযি়ে কখনও কোন অভযিোগ করনো, কারণ তার সময় সূচী আসলে অন্যান্য বাচ্চাদরে মতো এতোটাও কঠনি নয়।যত বার আমি অন্য অভভিাব কদরে সঙ্গে কথা বল।িতত বারই আমার মনে হয়, যে ছলেরে জন্য আর ওবশেি পাঠ্য বই কনি তহেব।ে”

আধুনিক শিক্ষা পরিল্পপনা :
সঙ্গিাপুররে রয়ছেে বশ্বিরে অন্যতম প্রশংসতি শক্ষিা পদ্ধত।ি প্রভাবশালী পআিইএসএ পরীক্ষা যখোনে কনিা আর্ন্তজাতকি ভাবে শক্ষর্িাথীদরে মূল্যায়ন করা হয়, সখোনে সঙ্গিাপুররে শক্ষর্িাথীরা র্শীষ অবস্থানে রয়ছে।ে র্অথনতৈকি সহযোগতিা ও উন্নয়ন বষিয়ক সংস্থা-ওইসডিি ৭৫টি দশেে এই পআিইএসএ পরীক্ষাটি পরচিালনা কর।েসখোনে মূলত শক্ষর্িাথীদরে গণতিশাস্ত্র, বজ্ঞিান এবং অধ্যয়নরে ক্ষমতা মূল্যায়ন করা হয়। দশেটরি এমন ভাল ফলাফলরে পছেনে অন্যতম প্রধান কারণ হল: দশেটরি সরকারি আমলাদরে প্রত্যকেইে বশ্বিরে সরো বশ্বিবদ্যিালয় থকেে পড়ে এসছেনে। শক্ষিা নযি়ে তাদরে লক্ষ্য সুনর্দিষ্টি। আর সটো হল: সঙ্গিাপুরকে বশ্বিরে অন্যতম ধনী, র্সবাধকি উন্নত এবং শ্রষ্ঠে শক্ষিতি দশেগুলরি মধ্যে একটতিে পরণিত করা।

ভাল পারিশ্রমিক ও বরাদ্ধ :
সঙ্গিাপুর বশ্বির্ যাং কংিয়রে র্শীষে থাকার আরকেটি কারণ হল, তাদরে শক্ষিকরা উচ্চ যোগ্যতাসম্পন্ন। এমনটাই মনে করনে গ্লাসগো বশ্বিবদ্যিালয়রে বশিষেজ্ঞ ক্লাইভ ডমিক। তাকে সঙ্গিাপুররে জাতীয় শক্ষিা ইন্সটটিউিটরে একটি লডিারশীপ প্রোগ্রাম সমন্বয় করার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়ছেলি। শক্ষিা খাতরে বতেন দশেটরি শল্পি ও র্আথকি খাতরে সঙ্গে সামঞ্জস্যর্পূণ, যটো বশ্বিবদ্যিালয়রে সরো স্নাতক শক্ষর্িাথীদরে শক্ষিকতাকে পশো হসিবেে বছেে নতিে আকৃষ্ট কর।ে শক্ষিকদরে প্রতি মাসরে বতেন গড়ে ১৮শ ডলার থকেে তত্রেশিশ’ ডলার থকেে শুরু হয়। এছাড়া অতরিক্তি সময়রে পাশাপাশি পারর্ফমন্সেরে ওপর তাদরে আলাদা বোনাসরে ব্যবস্থা রয়ছে।ে সঙ্গিাপুর তাদরে সরকারি বাজটেরে ২০% শক্ষিাখাতে ব্যয় কর।ে বশিষেজ্ঞ ডমিক জানান, “শক্ষিার উন্নয়নে সঙ্গিাপুররে রয়ছেে আধুনকি প্রযুক্ত,ি পরীক্ষাগার এবং চমৎকার সব বই”

দরদ্রিতা ও নরিক্ষর অতীত:
এক সময় সিঙ্গাপুরের মানুষ শুধু মাছ বিক্রি করে জীবন নির্বাহ করত তাই সঙ্গিাপুর এক সময় এশযি়ার দরদ্রিতর দশেগুলোর একটি ছলি। ১৯৬৫ সালে তারা যখন মালয়শেযি়া থকেে স্বাধীন হয়। তখন কবেলমাত্র অভজিাতদরে শক্ষিার সুযোগ ছলি। এ কারণে দশেটরি মোট জনসংখ্যার র্অধকে ছলি নরিক্ষর। সঙ্গিাপুররে সরকারি পরসিংখ্যানে এমন তথ্য পাওয়া গছে।ে সঙ্গিাপুরে তলে বা গ্যাসরে মতো কোন প্রাকৃতকি সম্পদও নইে। তাই দশেটি তাদরে জনসংখ্যার ওপর বনিযি়োগ কর।ে দশেটরি র্বতমান জনসংখ্যা প্রায় ৫৮ লাখ। যাদরে প্রত্যকেইে জনসম্পদ। সঙ্গিাপুরে স্বরৈাচারী সরকার থাকায় সখোনকার কছিু মৌলকি স্বাধীনতা দমন হলওে সরকাররে প্রতি আনুগত্য সামাজকি নরিাপত্তা এবং সমৃদ্ধরি নশ্চিয়তা দযি়ছে।ে তাদরে এই র্দশন শক্ষিা পদ্ধতি উন্নয়নরে একটি গুরুত্বর্পূণ উপাদান।

অভজিাত স্কুল:
সঙ্গিাপুর-বাসীর মধ্যে একটি অনুভূতি বা চন্তিাধারা রয়ছেে যটো কনিা সখোন কার মানুষরে মানসকিতার ওপর অনকে বড় প্রভাব রাখ।ে এই অনুভূতটিি “কযি়াসু” নামে পরচিতি। যটো বশেরিভাগ মানুষ পাশ কাটযি়ে যায়। সাবকে শক্ষিক ডন ফুং জানান, “কযি়াসু নামরে এই উদ্বগে শশিুদরে ওপর কঠনি প্রভাব ফলে,ে বশিষে করে যাদরে পরবিার এই ভয়ে থাকে যে তাদরে সন্তান ভাল ফল র্অজন করতে র্ব্যথ হব।ে” সরো স্কুল এবং বশ্বিবদ্যিালয়ে পৌঁছানোর জন্য, সঙ্গিাপুররে শশিুরা অনকে আগে থকেইে তাদরে প্রাথমকি বদ্যিালয়রে ফাইনাল পরীক্ষার প্রস্তুতি নতিে শুরু কর।ে যটো প্রাইমারি স্কুল লভিংি এক্সামনিশেন বা পএিসএলই নামে পরচিতি। এই পরীক্ষার ফল নর্ধিারণ করে যে তারা কোন ধরনরে মাধ্যমকি বদ্যিালয়ে পড়ব।ে “এবং এই প্রস্তুতি তাদরে দুই বছর বয়স থকেইে শুরু হয়” বলে জানান ফুং। এটি একটি প্রতযিোগতিামূলক পদ্ধত।ি এজন্য সঙ্গিাপুররে বশেরিভাগ শশিুদরে প্রাইভটে শক্ষিক আছ।ে জ্যাকরে মা শরেলি আইও তার ছলেরে প্রাইভটে পড়ানোর পছেনে প্রতি মাসে ৭শ ডলাররে মতো খরচ করে থাকনে। তনিি চযে়ছেলিনে তার ছলেে অভজিাত স্কুলে পড়ব।ে সজেন্য জ্যাক কঠনি রুটনি মনেে চলার পাশাপাশি অতরিক্তি ক্লাস কর।ে তবে অভজিাত স্কুলে র্ভতি হতে পএিসএলই পরীক্ষায় যে নম্বররে প্রয়োজন হয় সটো র্অজন করতে পারনেি জ্যাক।

শক্ষিা শল্পি ও এর প্রভাব
শক্ষর্িাথীদরে জন্য পএিসএলই পরীক্ষা কতোটা কঠনি সটোর প্রমাণ পাওয়া যায় সখোনকার প্রাইভটে টউিশন শল্পি দখে।ে আসলে শক্ষিা, সঙ্গিাপুররে একটি লাভজনক শল্পি। স্থানীয় পত্রকিা স্ট্রইেট টাইমসরে মতে যার মূল্যমান প্রায় ৭৫ কোটি ডলার। তবে দশেটরি সম্পূরক পাঠরে র্কাযকারতিা নযি়ে এখনও বর্তিক রয়ছে।ে এক জন মুক্তিযোদ্ধা নুরের নী চেীধুরী বলনে, “আমরা কনে এই পদ্ধততিে সহজ করছনিা। কনে আমাদরে বাচ্চারা তাদরে বয়সরে জন্য উপযুক্ত পরীক্ষা দচ্ছিে না?” ফুং যখন মা হয়ছেলিনে, তখন তনিি সদ্ধিান্ত নযি়ছেলিনে যে তনিি এই প্রচলতি শক্ষিা ব্যবস্থার পরর্বিতে হোম স্কুলংি বা বাড়রি ভতেরে শক্ষিাকে বছেে নবেনে।” “আমি বশ্বিাস কর,ি যে শক্ষিা পদ্ধতি আমাদরেকে অসুখী করে তুলছ,ে সটোর অংশ হওয়া ভুল। যে শক্ষিা পদ্ধতি ইতবিাচক ফলাফল দযে়ার ব্যাপারে প্রতশ্রিুতবিদ্ধ না, সখোনে শশিুদরে ঠলেে দযে়া নষ্ঠিুরতা।” এমনই জানান তনি সন্তানরে মা ফুং।ফুংয়রে মতো অন্যান্য যসেব পরবিার তাদরে শশিুদরে জন্য হোম স্কুলংি বছেে নতিে চান তাদরে জাতীয় পাঠ্যক্রম অনুযায়ী পএিসএই তে নতিে হব।ে এবং তাদরে প্রাপ্ত ফলাফল জাতীয় গড় নম্বররে নচিে হতে পারবনো।

উদ্বগে এবং আত্মহত্যা:
জ্যাকরে মা শরেলি আইও দুশ্চন্তিা করছনে য,ে পএিসএলই-তে প্রয়োজনীয় নম্বর না পাওয়ায় তার ছলেরে র্মযাদাহানি হব।ে”জ্যাক অনকে দু:খ পযে়ছে,ে” জানান মা শরেলি আইও।জ্যাক স্বপ্ন দখেে একজন পাইলট হওয়ার, সইে লক্ষ্য পূরণে সে আবারও ওই পরীক্ষায় বসার প্রস্তুতি নচ্ছি।ে বসেরকারি সংস্থা সামারটিানস জরপি অনুযায়ী সবক্ষত্রেে শ্রষ্ঠেত্বরে অনুসন্ধানরে একটি র্পাশ্ব প্রতক্রিযি়া রয়ছে:ে সগেুলো হল মানসকি চাপ ও উদ্বগে।এসব মানসকি সমস্যায় আক্রান্ত তরুণদরে সংখ্যা ক্রমইে বাড়ছ।ে এবং এটি তরুণদরে আত্মহত্যার হার বাড়যি়ে দতিে পার।েএটা সঙ্গিাপুররে ১০ থকেে ২৯ বছর বয়সীদরে মৃত্যুর প্রধান কারণ হসিবেে জরপিে উঠে এসছে।েচলতি বছররে শুরুত,ে সরকার স্বীকার করছেে যে এই শক্ষিা পদ্ধতি শক্ষর্িাথীদরে উপর চাপ প্রয়োগ করছ।েএ ব্যাপারে দশেটরি যোগাযোগমন্ত্রী ওং ইয়ে কুং বলনে, “আমরা নশ্চিয়তা দবে যে এই পদ্ধতি শক্ষর্িাথীদরে নজিদেরে প্রতি কঠোর হতে নয় বরং তাদরে সহায়তা দতিে তরৈি করা হয়ছে।ে”এক্ষত্রেে তনিি শক্ষর্িাথীদরে একে অপররে মানসকি স্বাস্থ্য দখেভালরে আহ্বান জানযি়ছেনে।সরকার “থংিকংি স্কুলস, র্লানংি নশেন” নামে একটি নীতি প্রণয়ন করছে।ে যটেি মুখস্থ বদ্যিার পরর্বিতে শখোর প্রক্রযি়ার ওপর বশেি গুরুত্ব দবে।েএই নীতরি মূলমন্ত্র “পড়াও কম, শখোও বশে”ি।এটি শক্ষর্িাথীদরে নজিদেরে মতো কাজ করত,ে দলরে সঙ্গে কাজ করতে সইেসঙ্গে নজিদেরে ব্যাপারে ভাবতে অনুপ্ররেণা দযে় বলে জানান ডমিক।

“ভুলে যাওয়া” শক্ষর্িাথীরা:
এখনও, যসেব শক্ষর্িাথীরা সরো নম্বর পায়না তাদরে জন্য বশিষে ব্যবস্থা নযে়া হয়। ক্যালফর্িোনযি়ার স্টটে বশ্বিবদ্যিালয়রে অধ্যাপক ম্যাথউি এ্যাটনেসওি ২০১১ সালে সঙ্গিাপুরে গযি়ছেলিনে।শক্ষর্িাথীদরে পারর্ফমন্সেে শক্ষিকদরে ভূমকিার বষিয়ে পড়তে গযি়ছেলিনে তনি।ি তবে এই শক্ষিা পদ্ধততিে তনিি বড় কছিু মনে করনে না।কনেনা তনিি এই খাতে ক্রমর্বধমান বষৈম্য দখেতে পযে়ছেনে।ম্যাথউি এ্যাটনেসওি বলনে, “কছিু পরবিাররে অনকে আয় এবং সম্পদ রয়ছেে যটো দযি়ে তারা প্রাইভটে টউিশনরে খরচ দতিে পার,ে যটো কনিা শক্ষর্িাথীর ভবষ্যিৎ শক্ষিা, সামাজকি ও পশোগত নটেওযর়্াকরে উপর প্রভাব রাখ।ে”শক্ষিা ব্যবস্থা এমন হওয়া উচতি যটো বছররে পর বছর ধরে পছিযি়ে পড়া মানুষরে চাহদিাগুলো পূরণ করব,ে কনেনা শক্ষিা সামাজকি ন্যায়বচিাররে ব্যাপার।” সাংবাদিক মনির হোসেন চৌধুরী মতে “সমাজে সব ধরণরে খাতরে বড় ধরণরে অবদান রয়ছে।ে শক্ষিা কবেল অভজিাতদরে সুবধিা দতিে পারে না।”

সম্প্রতি এক গবষেণায় উঠে এসছেে য,ে বশ্বিে মাধ্যমকি এবং উচ্চ মাধ্যমকি র্পযায়ে শক্ষিাবষিয়ক আর্ন্তজাতকি পরীক্ষায় সবচযে়ে ভাল ফলাফল করছে সঙ্গিাপুররে শক্ষর্িাথীরা।
স্কুলর্পযায়ে সঙ্গিাপুররে শক্ষিাব্যবস্থা, বশিষে করে তাদরে বজ্ঞিান শক্ষিা এতটাই ভালো যে এখন তাদরে অনুসরণ করছে পশ্চমিা দশেগুলোও।কভিাবে তারা এতটা সফলভাবে তাদরে শক্ষিাব্যবস্থাকে গড়ে তুললো?ববিসিরি সাংবাদকি গযি়ছেলিনে মন্টসর্ফোড মাধ্যমকি স্কুল।েস্কুলটরি বজ্ঞিানরে শ্রণেীকক্ষটি দখেলে যতটা না স্কুলরে ক্লাস মনে হব,ে তার চযে়ে বশেি মনে হবে এটি বজ্ঞিানীদরে একটি গবষেণাগার।স্কুলকক্ষটি ঘুরলে দখো যাবে কশিোর-কশিোরীরা এখানে নানা ইলক্ট্রেনক্সি জনিসি বানাচ্ছনে, যার মধ্যে ইলক্ট্রেকি কবর্িোড থকেে শুরু করে বাগানে পানি দযে়ার স্বয়ংক্রযি় ব্যবস্থা সবই আছ।েস্কুলরে চষ্টো হচ্ছে আরো বশেি ব্যবহারকি শক্ষিা দযে়ার চষ্টো করা। স্কুলরে একটি কক্ষকে তারা নাম দযি়ছেে প্রস্তুতকারকদরে গবষেণাগার।শশিুরা এখানে যা তরৈি করব,ে বানানো শষেে তারা চাইলে সটেি নজিদেরে সাথে বাসায় নযি়ে যতেে পারব।েরুপি টাম্পলিুন নামে একজন শক্ষিক এই ব্যবস্থার পছেনরে চন্তিার ব্যাখ্যা করতে গযি়ে বলছলিনে “আমরা শক্ষর্িাথীদরে পাঠদান যতটা সম্ভব অকৃত্রমি রাখতে চাই। বাস্তব পৃথবিীর সাথে পাঠদানরে যোগসূত্র থাকতে হব।ে””শক্ষর্িাথীরা যদি আসল এবং বাস্তব জনিসি নযি়ে কাজ করবে তখন তারা তাদরে প্রতদিনিকার জীবনরে সাথে সটো মলোতে পারব।ে এটা শুধু বজ্ঞিানে নয়, সবক্ষত্রেইে তাদরে শখোর ক্ষত্রেে সাহায্য করব”ে।
সঙ্গিাপুররে শক্ষিাব্যবস্থা বরাবরইর্ যাাঙ্কংিয়ে খুব ভালো করে এসছে।ে এক্ষত্রেে দশেটরি একটি বড় সুবধিা হলো, দশেটি খুবই ছোট এবং এখানকার সকল শক্ষিক জাতীয় শক্ষিা ইনস্টটিউিট থকেে প্রশক্ষিণপ্রাপ্ত।সঙ্গিাপুরে জাতীয় শক্ষিা ইনস্টটিউিট বশে প্রভাবশালী। সংস্থাটরি পরচিালক, অধ্যাপক টান উন সাং বলছলিনে, তারা শুধুমাত্র সরো শক্ষর্িাথীদরেই নযি়ে থাকনে। কারণ, ক্লাসরুমরে মূল উদ্দশ্যে হচ্ছে শক্ষর্িাথীদরে একটি মজবুত ভতি গড়ে দযে়া।”কোন শশিুকে যদি সুশক্ষিতি করতে হয়, তবে তাকে প্রথমইে ভাষার মৌলকি বষিয়গুলো শখোতে হব।ে সে বভিন্নি বষিয় যাতে বুঝতে পারে এবং যোগাযোগ করতে পারে সজেন্য তাকে সইে বষিয়রে ব্যাকরণ শখোতে হব।ে এমনভাবে শখোতে হবে যনে সে সইে ভাষাটি পড়তে পারে এবং বুঝতে পার”ে।ক্লাসরুমে ১০ বছর বয়সী এক শশিু তার কাজ ব্যাখ্যা করছলিো। এটি সঙ্গিাপুর স্টাইলে অংকরে ক্লাস। প্রত্যকেটি ধাপ সর্ম্পূণ আত্মস্থ করার পরই ক্লাসরে সবাই পরর্বতী পাঠে যতেে পারব।ে ক্লাস শষেে কছিু শক্ষর্িাথী সংবাদদাতাকে তাদরে পড়ালখোর ব্যবস্থা বোঝানোর জন্য থকেে গলে। মাত্র ১০ বছর বয়সইে তারা খুব সাবলীলভাবে ইংরজেী বলতে পার।ে পানমা নামে একটি শশিু বলছলি য,ে কোন অংক করার সময় সটো কভিাবে করতে হব,ে কনে করতে হবে এবং আসল সমস্যার সাথে এর যোগসূত্র সবকছিু ভাবতে হব।েআরকেটি শশিু বলছলি, কোনকছিু কনোকাটা করতে গলেে কত টাকা খরচ করতে হবে সটেি বুদ্ধি করে ব্যবহার করতে হব।েতাদরে কথায় স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছলি, তারা অংক করা বশে মজার কাজ বলইে মনে কর।েঅংক নযি়ে শক্ষর্িাথীদরে মধ্যে যে উৎসাহ এবং তার প্রতি আগ্রহ সটেি খুবই প্রশংসনীয়। স্বাভাবকিভাবইে যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্ররে স্কুলগুলোও এখন এই পদ্ধতি অনুসরণ করছ।েসঙ্গিাপুর যে শক্ষিার ওপর র্দীঘমযে়াদী বনিযি়োগ করছ,ে বশ্বিব্যাপী তা ব্যাপক আগ্রহরে সৃষ্টি করছে।েশক্ষিা দচ্ছিনে শক্ষিকরা”সঙ্গিাপুর যদি শক্ষিাব্যবস্থার একটি শক্তশিালী ভত্তিি দাঁড় করাতে না পারতো তাহলে আজ আমরা এই অবস্থায় আসতে পারতাম না। কোন কছিু যদি কাজ না করে তাহলে আমরা সটোতে কছিু পরর্বিতন আনার চন্তিা কর।ি প্রতি ৫ বছর বা ১০ বছর পর আমরা বলি না য,ে আমাদরে পুরনো নীতি ভুল ছলি এবং এখন পুরো ব্যবস্থায় বড় ধরণরে পরর্বিতন আনতে হব”ে।শক্ষিাবষিয়ক গবষেণা সংস্থা হডে এডুকশেনরে পরচিালক অধ্যাপক সারাভানন গোপীনাথন বলছনে, আর্ন্তজাতকিভাবে কোন ব্যবস্থাগুলো কাজ করে তার অনকে উদাহরণ আছে এবং তারাও একসময় পশ্চমিা দশেগুলো থকেইে অনকে ধারণা নযি়ছেনে।উন্নত শক্ষিাব্যবস্থা ছাড়াও সঙ্গিাপুররে অভভিাবকরাও সন্তানদরে শক্ষিার বষিয়ে খুবই সর্তক।সন্তানদরে শক্ষিার পছেনে সময় এবং র্অথ ব্যয়ে তারা যথষ্টে আগ্রহী এবং এই কারণটইি সঙ্গিাপুররে শক্ষিাব্যবস্থাকে সামনে এগযি়ে নযি়ে যাওয়ার পছেনে একটি বড় ভূমকিা রাখছ।েযার ফলে প্রতযিোগতিামূলক বশ্বিে তাদরে দশেরে র্অথনীতওি দনি দনি আরো সমৃদ্ধ হচ্ছ।ে
একটি স্বাধীন দশে হসিবেে বাংলাদশেরে বয়স মাত্র ৪৪ বছর। এই অল্প সময়ে রাষ্ট্ররে যাবতীয় গুরুত্বর্পূণ র্কাযগুলো সম্পাদন করা সহজ ব্যাপার নয়। রাষ্ট্রবজ্ঞিানরে সংজ্ঞা অনুযায়ী একটি কল্যাণমূলক আধুনকি রাষ্ট্ররে যে সকল উপাদান থাকা উচতি, তা নশ্চিতি করতে প্রয়োজন অনকেটা সময়। একটি উন্নয়নশীল দশেরে পক্ষে সময়টা অত্যন্ত জরুরি বষিয়। তবে একটি রাষ্ট্র কতটুকু উন্নত হবে অথবা তার ভবষ্যিৎ কোনদকিে এগোচ্ছে তা বোঝা যায় তার শক্ষিা সংক্রান্ত র্কাযক্রমরে ভতের দয়ি।ে সক্ষেত্রেে বাংলাদশেরে ভবষ্যিৎ সর্ম্পূণ ভাবইে শক্ষিাক্ষত্রেরে র্বতমান অবস্থা দখেে উপলব্ধি করা সম্ভব। এর পরও আছে র্ধমীয় গোড়ামি । আবার দখো যায় আমাদরে দশেরে অন্ধ ইসলাম ধর্মের ও বভিন্নি র্ধমে র কছিু মীেলবী যারা কখনো চায় না নারী উচ্চ শক্ষিা গ্রহন করুক, হা হলে তাদরে সমাজে মাতব্বরী ও রজিকি বন্ধ হয়ে যাবে বলে তারা ধারনা করছ।ে আমি যখন শিশু তখন গুম থেকে উঠে সোজা পড়তে যাইতে হত খালি পেটে,তখন খুধায় আমার পেট কু ক ু করত পড়া মুখ দিয়ে আসত না ,আর আমার মা বলত সকালে খাইলে নাকি পড়া মুখে আসবে না, এই ধারনাটা আমার ১০বছরের সকাল বেলার পড়াটা ধংস করে দিয়েছে । আমার মত এরকম কু-সংস্কার এর কারনে কোটি কোটি সন্তানের সকাল বেলার লেখা পড়া ধংস হয়েছে । বড় হয়ে যখন বুঝতে পারলাম তখন একদিন মাকে বললাম মা কেন আমার ছোট বেলায় সকলে খাইলে লেখা পড়া মুখদিয়ে আসবেনা ?, মা জানাল আমাদের পাড়ার মেীলবী সাহেব বলেছে আমার মা ( আমার নানী) কে তাই তোমাকে আমি বললাম বাবা মনির মনে কস্ট নিয়ো না ।
একটি ব্লগে সদেনি পড়ছলিাম মুক্তযিোদ্ধা নুররে নবী চৌধুরী লখিছনে যে আমাদরে দশেে র্বতমান শক্ষিা ব্যবস্থা নয়িে গুটকিয়কে শক্ষিা-ব্যবসায়ী ছাড়া আর কউে সন্তুষ্ট নয় বলে তাঁর ধারণা। বক্তব্যটি একদম একপশেে হয়ে যাচ্ছ।ে প্রকৃতপক্ষে বাংলাদশে সরকার নানা ভাবইে বাংলাদশেরে শক্ষিা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং প্রতটিি নাগরকিরে শক্ষিা নশ্চিতি করার জন্য ব্যাপক প্রয়াস চালাচ্ছ।ে এটি কোন তোষামুদে কথা নয়। একটু উদারদৃষ্টতিে তাকালইে তা নজরে পড়ব।ে তবু একটা কন্তিু থকেে যায়। সইে কন্তিুর উত্তর খােঁজাই র্বতমান বুদ্ধজিীবী, জ্ঞানী-গুণী ও শক্ষিাবদিরে একমাত্র কাজ হওয়া উচতি।
ইতহিাসরে দকিে ফরিে তাকালে দখো যায় অতীতরে বছরগুলোতে যাবতীয় পাবলকি পরীক্ষায় ব্যাপক হারে নকল এবং র্দুনীতি হয়ছেলি। এটি ছলি রাষ্ট্ররে জন্য বষিবৃক্ষরে প্রথম চারা রোপন। এই ঘটনাটরি প্রভূত ক্ষতি একদনিে মুছে ফলো যাবে না এবং প্রজন্ম থকেে প্রজন্ম আমাদরে বয়ে চলতে হবে পাবলকি পরীক্ষায় র্দুনীতরি মনোভাব। ১৯৭১ সালরে ১৪ই ডসিম্বের বুদ্ধজিীবী হত্যার প্রধান যে লক্ষ্য ছলি জাতকিে মধোশূণ্য করে দয়ো তা অনকোংশইে সফল হয়ছেে বলা চল।ে ঐ সকল বুদ্ধজিীবীদরে অর্বতমানে জাতীয় শক্ষিা র্কাযক্রম চলে গয়িছেলি অযোগ্য ব্যক্তদিরে হাত।ে বাংলাদশে যে সূচনালগ্নে একবোরে বুদ্ধজিীবীশূণ্য অবস্থায় ছলি, তা বলছি না কন্তিু গুরুত্বর্পূণ অনকেকইে হারাতে হয়ছে।ে যা চলে গছেে তা নয়িে ভবেে অবশ্য সবশিষে লাভ নাই।

বাংলাদশেরে শক্ষিা র্কাযক্রম যথাযথভাবে পরচিালনার জন্য স্বাধীনতার পরপরই শক্ষিানীতি প্রণয়ন করা হয়। পাকস্তিান আমলরে কয়কেটি শক্ষিানীতরি সঙ্গে অনকেটা মলি রখেইে তরৈি করা হয় শক্ষিানীত।ি কন্তিু রাজনতৈকি ক্ষমতার রদবদলে বারবার শক্ষিানীতরি পরর্বিতন হয়ছে।ে একটি রাষ্ট্ররে শক্ষিানীতরি বারবার পরর্বিতন নর্দিশে করে রাষ্ট্রটি মধোশূণ্য অবস্থায় আছ।ে এমন কলঙ্কটাকে আমরা এড়াতে পারি না। শক্ষিার স্তর, পাবলকি পরীক্ষাসমূহ, পাঠ্যবই, পাঠ্যসূচি থকেে শুরু করে পরীক্ষার ফলাফল ইত্যাদি যাবতীয় বষিয়াদি অনকেবারই ব্যাপক পরর্বিতনরে ভতের দয়িে এগয়িে চলছে।ে এটি রাষ্ট্ররে নাগরকিদরে ভতের নানা ধরনরে সমস্যার সৃষ্টি করছে পরোক্ষভাব।ে র্সবশষে শক্ষিানীত-ি২০১০ (যা বশে কয়কেবার সংশোধতি, পরমর্িাজতি হয়ছে)ে অনুসারে সরকার একটি স্থতিশিীল শক্ষিা র্কাযক্রমরে সূচনার প্রয়াস চালয়িছে।ে সইে নীতি অনুসারে এখন বাংলাদশেরে শক্ষিা র্কাযক্রম পরচিালতি হচ্ছ।ে পাঠ্যবইয়রে সংখ্যা বৃদ্ধরি পাশাপাশি শক্ষর্িাথীকে মুখস্ত পড়ার পরর্বিতে সৃষ্টশিীল পদ্ধততিে শখোনোর জন্য চালু করা হয়ছেে সৃজনশীল পদ্ধত।ি প্রতি বছর প্রায় চার কোটি বই সরকার ছাপয়িে বনিা মূল্যে পৗেঁছে দচ্ছিে প্রতটিি শক্ষর্িাথীর হাত।ে বাজটেরে একটি বড় অংশ থাকছে শক্ষিাখাত।ে প্রত্যন্তঅ ঞ্চলরে একটি শক্ষর্িাথী ও পড়ার বইটি যথা সময়ে পয়েে যাচ্ছ।ে এসবই জাতীয় শক্ষিা র্কাযক্রমরে ইতি বাচক দকি। এছাড়া তথ্য প্রযুক্তকিে র্সবাধকি গুরুত্ব দয়িে সরকাররে ডজিটিাল বাংলাদশে গড়ার স্বপ্নটওি নঃিসন্দহেে প্রশংসনীয়। এনসটিবি-ির ওয়বেসাইটে পাওয়া যাচ্ছে সকল শ্রণেরি সকল বষিয়রে বইয়রে সফ্টকপ।ি এগুলো সবগুলোই বাংলাদশেরে শক্ষিা ব্যবস্থার উন্নতরি কথাই নর্দিশে কর।ে কন্তিু সরকাররে একটি বষিয়রে প্রতি খুব বশেি মনোযোগী হতে দখো যাচ্ছে না। তাহলো- শক্ষিার গুণগত মান বৃদ্ধ।ি প্রতটিি শশিু স্কুলে যাক- এই চাওয়া নঃিসন্দহেে প্রশংসনীয় কন্তিু তার সঙ্গে এটওি চাওয়া প্রয়োজন যে শশিু যনে স্কুলে গয়িে পড়াশুনার প্রতি আগ্রহী হয়, নতৈকিতা, মূল্যবোধ এবং সামাজকিতা শখে।ে

দখো যায় একজন বশ্বিবদ্যিালয় থকেে ডগ্রিি র্অজনকারী মধোবী মানুষ পশো হসিবেে কখনই শক্ষিকতাকে বছেে নতিে চান না। শক্ষিকতাকে খাটো চোখে দখো হয় বরাবরই। সামাজকি এই সমস্যাটি রাষ্ট্ররে জন্য সত্যকিার র্অথইে দুঃখজনক। অবশ্য সামাজকি সমস্যাটি র্অথনীতরি সঙ্গওে জড়তি। শক্ষিকদরে বতেন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবধিাদি অন্য যে কোন পশোর থকেে অনকে কম। এটি অবশ্যই শক্ষিকতা পশোর জন্য সঙ্কটজনক। এইসব কারণে অনকে ক্ষত্রেইে যোগ্য ব্যক্তকিে শক্ষিক হসিবেে পায় না নতুন প্রজন্ম। বদ্যিালয়ে গয়িে একজন আর্দশবান ব্যক্তকিে যদি কোন শশিু না-ই পায় তবে তার শক্ষিার প্রতি আগ্রহ-ই তো জন্মাবে না। যারা শক্ষিকতা পশোয় যুক্ত হন তাদরে জন্যও রাষ্ট্রীয়ভাবে বশিষে কোন প্রশক্ষিণরে ব্যবস্থা লক্ষ করা যায় না। প্রশক্ষিণরে নামে কয়কেটি দনি অবশ্য অতবিাহতি হয় এবং রাষ্ট্ররে কছিু র্অথরে বনিষ্টি ঘট।ে ফলে ক্লাসে পাঠদানরে বজ্ঞৈানকি পদ্ধতসিহ যাবতীয় বষিয়াদি সর্ম্পকে অবগত না হওয়া ব্যক্তরিাই দনিরে পর দনি ক্লাস নতিে থাক।ে সখোনে শক্ষিার উদ্দশ্যেটাই ভালোভাবে ফুটে ওঠে না শক্ষর্িাথীদরে কাছ।ে জাতীয় শক্ষিানীত-ি২০১০-এর পর তো আরও বশিাল একটি হ-য-ব-র-ল অবস্থার সম্মুখনি হয় ছাত্র-শক্ষিক সকল,ে সাংবাদিক মনির হোসেন চৌধুরী বলেন কেন আমরা ২০১০ শিক্ষা নীতি নিয়ে মাতামাতি করব আমাদের মাতামাতি করতে হবে ২০৫০ সালের শিক্ষা নিতি কি হবে । তার আলোকে কাজ করতে হবে, যদিও আমাদের মাননীয় প্রধান মন্ত্রি শেখ হাসিনা চিন্তা ভাবনা করছেন । বদিশেি কাঠামোবদ্ধ পদ্ধত’িকে এনে সৃজনশীল পদ্ধতি নামে উপস্থাপন করা হয় এবং সকল বষিয়রে একটি ব্যাপক পরর্বিতন এনে কোটি কোটি বই ছাপয়িে তুলে দয়ো হয় ছাত্র-শক্ষিকরে হাত।ে শক্ষিকদরেই শুরু করতে হয় ব্যাপক হারে পড়াশুনা। অথচ কাঠামোবদ্ধ আর সৃজনশীল শব্দ দুইটি একবোরইে বপিরীর্তাথক। পদ্ধতি পরর্বিতনরে পাশাপাশি পাঠ্যতালকিায় আনা হয় ব্যাপক রদবদল। অনকে গুরুত্বর্পূণ লখেকরে লখোই বাদ পড়ে নতুন তালকিা থকেে এবং অপ্রয়োজনীয় অনকে কছিুরই সন্নবিশে লক্ষ করা যায়।
বাংলাদশেরে শক্ষিা ব্যবস্থার র্বতমান অবস্থা সর্ম্পকে তাহলে এবার র্সাবকি একটি বক্তব্য পশে করতে হয়। কারগিরি দকি থকেে বাংলাদশেরে শক্ষিা ব্যবস্থার উন্নতি অবশ্যই দৃষ্টি আর্কষণ করতে সক্ষম এবং বই-পুস্তক থকেে শুরু করে ল্যাপটপ, তথ্য-প্রযুক্তরি ব্যবহার ইত্যাদরিও দনি দনি বৃদ্ধি নঃিসন্দহেে ইতবিাচক কন্তিু এতসব যে জন্য, সইে শক্ষিার উদ্দশ্যেই বাস্তবায়তি হচ্ছে না ঠকিমত। একটু ব্যাখ্যা করে বললে বলা যায়-

ক. পাঠ্যবই ও পাঠদান সংশ্লষ্টি অবস্থা: ষষ্ঠ শ্রণেরি বাংলা ১ম পত্ররে সহপাঠ বই হসিবেে আনন্দপাঠ বইটরি প্রথম গল্পটি জসীম উদ্দীনরে আয়না। এই গল্পটকিে ঠকি কী কারণে পাঠ্যতালকিায় অর্ন্তভুক্ত করা হয়ছেে তার যর্থাথ উত্তর কউে দতিে পারবনে বলে মনে হয় না। গল্পরে শষেে অনুশীলনীতে দয়ো সৃজনশীল প্রশ্নরে নমুনাটি থকেওে বোঝা সম্ভব হয় না ঠকি কোন বষিয়টকিে বোঝানোর উদ্দশ্যেে শক্ষর্িাথীদরে লকেচার দতিে হব।ে এমনি অনকে বষিয়রে অনকে অধ্যায়ই স্পষ্টভাবে না বুঝইে পড়া হচ্ছ।ে এটি কখনই শক্ষিার মূল উদ্দশ্যে পূরণ করতে সক্ষম হবে না।
খ. শক্ষিা উপকরণ: সদেনি আমার এক ছাত্রীর কাছে একটা নতুন খাতা দখেলাম। খাতাটি দখেে তো একবোর অবাক হওয়া ছাড়া কছিু করাই ছলি না। খাতার নাম ‘করিণমালা’। ভারতীয় হন্দিি সরিয়িাল নয়িে যখোনে একটি বুদ্ধজিীবী শ্রণেি দনি-রাত চঁেচামচেি করে চলছ,ে টভিতিে টকশো-র পর টকশো করছে সখোনে কোমলমতি শশিুদরে হাতে তুলে দয়ো হচ্ছে এমন খাতা যার মলাটে হন্দিি সরিয়িালরে নায়ক-নায়কিার ছবি থাক।ে এমনকি সরিয়িালটি কখন, কোন চ্যানলেে হয়- তাও তাতে উল্লখে থাক।ে একদনি র্কম ও জীবনমুখী শক্ষিার মৌখকি পরীক্ষা নচ্ছিলিাম ষষ্ঠ শ্রণেরি। বহুবার পড়ানো শ্রমরে শ্রণেবিভিাগ জানতে চয়েে কোন শক্ষর্িাথীর কাছ থকেইে সঠকি উত্তর পলোম না। একজন সহর্কমী এক শক্ষর্িাথীকে কছিুটা মজাচ্ছলইে জজ্ঞিসে করল হন্দিি সরিয়িাল সর্ম্পক।ে শক্ষর্িাথীটি একরে পর এক উত্তর দয়িে গলে একবোরইে নর্ভিুলভাব।ে এটি সত্যি দুঃখজনক। শক্ষিার উপকরণগুলোর সঙ্গে শক্ষর্িাথীকে যতটা সংশ্লষ্টি করা।
গ. শক্ষিা প্রতষ্ঠিান ও শক্ষিক: র্পূবইে উল্লখে করা হয়ছেে আমাদরে দশেে শক্ষিকতা পশোর কদর সর্ম্পক।ে অবশ্য র্বতমানে শক্ষিকতাকে একটি লাভজনক পশো হসিবেে অনকেইে ববিচেনা করছনে। এর কারণ হচ্ছে বদ্যিালয়রে গুরুত্বকে কময়িে কোচংি সন্টোরকে প্রাধান্য দয়ো। দশেরে বড় বড় নামকরা প্রতষ্ঠিানই তাদরে প্রতষ্ঠিানকে কোচংি সন্টোরে রূপান্তর করে নয়িছেে একটি বশিষে কৌশল।ে ক্লাস আওয়াররে পরে অতরিক্তি সময় শক্ষর্িাথীকে রখেে আদায় করা হচ্ছে অতরিক্তি টাকা। ফলে একজন শক্ষিকরে মূল বতেন যদি হয় এগারো/বারো হাজার টাকা তবে সে অতরিক্তি ক্লাস নয়িে আরও দশ/বারো হাজার টাকা সহজইে আয় করতে সক্ষম হচ্ছে (কছিু কছিু ক্ষত্রেে আয় লক্ষাধকি টাকাতে গয়িওে পৗেঁছায়)। ফলে শক্ষিা প্রতষ্ঠিান হয়ে উঠছে ব্যবসা প্রতষ্ঠিান এবং শক্ষিকরা হয়ে উঠছনে ব্যবসায়ী। শক্ষিা এখানে পণ্যসদৃশ।
ঘ. পরীক্ষা গ্রহণ ও মূল্যায়ন: অনকে ক্ষত্রেইে পরীক্ষা গ্রহণ ও মূল্যায়ন বষিয়টি একটি নাটকে পরণিত হয়ছে।ে বশিষেত অনকে শক্ষিা প্রতষ্ঠিানরে অভ্যন্তরীণ পরীক্ষাগুলোর তো বাস্তবকি কোন র্অথ আছে বলে মনে হয় না। শক্ষর্িাথী যাতে ফলে না করে তা শক্ষিককে নশ্চিতি করতে হয়। খাতায় যা-ই লখেুক না কনে প্রত্যকে শক্ষর্িাথী যনে অন্তত ৬০% নম্বর পায় তা বলা থাক।ে এই র্দুবলতার কথা জনেে শক্ষর্িাথীও পড়াশুনায় ফাঁকি দয়ে। আর পাবলকি পরীক্ষাগুলোতে তো প্রশ্নপত্রফাঁস, পরীক্ষাকন্দ্রেে উত্তর বলে দয়ো সহ বহুরখৈকি র্দুনীতি রয়ছে।ে সরকাররে বোঝা উচতি কবেল ১০০% শক্ষিতি দখেয়িে বাংলাদশে আর্ন্তজাতকিভাবে এমন আহামরি কছিু করতে পারবে না যদি না শক্ষিার মান রক্ষতি হয়।
বাংলাদশেরে শক্ষিা ব্যবস্থার এই অবস্থা সত্যি উদ্বগেজনক। রাষ্ট্র অচরিইে কূলহারা পরস্থিতিতিে পড়বে বলে মন।ে এক্ষত্রেে রাষ্ট্ররে শক্ষিতি প্রতটিি নাগরকিকে উদ্যোগী হওয়া উচতি। শক্ষিা ব্যবস্থাকে ধ্বংসরে হাত থকেে রক্ষা করতে স্ব-প্রণোদতি হয়ে এগয়িে আসা উচতি। তবে প্রধান দায়ত্বিটি অবশ্যই পালন করতে হবে সরকারক।ে আধুনকি রাষ্ট্র ধারণায় সরকার অত্যন্ত গুরুত্বর্পূণ একটি উপাদান। রাষ্ট্ররে উন্নতি বা অবনতরি পছেনে সরকাররে দায়-দায়ত্বিই বশেি থাকে (যদওি রাষ্টরে নাগরকি সবচয়েে ক্ষমতাবান)।
ঙ. আমার আমারা কনে ড. মোহাম্দ শহদি উল্লা বা কুদরতে খোদা শক্ষিা নতিি র্বতমানে আনব , আমাদে আনতে হবে আগামী ৩০- ৫০ বছর পর কি হবে শক্ষিা ব্যবস্থাতার আলোকে শক্ষিা নতিি গ্রহন করা ।
চ. আমার জানা মতে সবাই একপষেে শুধু আমাদরে মাননীয় মন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহদি সাহবেকে ভন্নিরি রকম সমালোচনা করনে , আসলে কি তা ঠকি ? আমার জনাও দখোমত ২০১৭ সালে ঢাকার উত্তরা মাইলস্টন কলজেরে এক অনুষ্ঠানে নাহদি সাহবে তার বত্তব্য শষেে সে সরাসরি ছাত্র- ছাত্রীও অভিবাবকদের মাঝে ডুকে পড়লেন এবং বিভিন্ন প্রশ্ন করতে থাকেন এতে এক প্রকার ঐ প্রতিষ্ঠানের প্রধান অধ্যাক্ষ ভয় পেয়ে মন্তব্য করলেন কে নাহিদ সাহেবকে দাওয়াত করল যদিও এমন ঘঠনা কিছু ঘটেনি। এজন্য আমি নাহিদ সাহেবের সাহসিকতা ও কর্মকে ভালো বাসি ।
নচিে বাংলাদশেরে শক্ষিার মান উন্নয়নে করণীয় দকিগুলো উল্লখে করা হলো-
ক. সরকাররে করণীয়: শক্ষিার মান উন্নয়নে সবচয়েে বশেি কাজটি করতে হবে সরকারক।ে কবেল র্অথরে যোগানই নয় বরং চন্তিাগত র্পযাপ্ত র্সাপােট নশ্চিতি করতে হব।ে এছাড়া-
১। একটি র্পূণাঙ্গ এবং র্দীঘ ময়োদি শক্ষিা নীতি প্রণয়ন করতে হব।ে
২। সইে শক্ষিা নীতরি যথা যথ বাস্তবায়নরে অব কাঠামোগত কাজগুলো সম্পন্ন করতে হব।ে
৩। শক্ষিকতা পশোকে গুরুত্বর্পূণ করে তুলতে হব।ে
৪। শক্ষিা প্রতষ্ঠিান হসিবেে বদ্যিালয়, কলজে ও বশ্বিবদ্যিালয়কইে প্রাধান্য দয়ো নশ্চিতি করে যাবতীয় কোচংি ব্যবস্থা বন্ধ করতে হব।ে
৫। শক্ষর্িাথীদরে জন্য শক্ষিামূলক বনিোদনরে ব্যবস্থা করতহেব।ে
৬। প্রশ্নফাঁস, নকল এবং পরীক্ষাকন্দ্রেে উত্তর বলে দয়োর মত কাজগুলো শক্ত হাত বন্ধ করতে হব।ে
৭। নতৈকি শক্ষিা ও মূল্যবোধরে র্চচা বাড়াতে হব।ে
৮। পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার বাবশনিম্বর পাওয়ার অসুস্থ প্রতযিোগতিাকে নরিুৎসাহতি করতে হব।ে
৯। আগামী ৫০ বছর পর কি হবে শক্ষিা ব্যবস্থা তার আলোকে শক্ষিা নতিি গ্রহন করা ।
খ. সচতেন নাগরকিরে করণীয়: একজন শক্ষিতি ও সচতেন মানুষরেও অনকে দায়ত্বি থাকে সমাজরে প্রত,ি রাষ্ট্ররে প্রত।ি সইে দায়ত্বিগুলো পালন করতে হবে সচতেন মানুষগুলোক।ে যমেন-
১। শক্ষর্িাথীদরে পড়াশুনা করতে বাধ্য না করে পড়াশুনার প্রতি আগ্রহী করতেোলার চষ্টো করতে হব।ে
২। শক্ষিা সংক্রান্ত তার নজিস্ব মতামত প্রকাশ করতে হব।ে
৩। শক্ষিা সংক্রান্ত র্দুনীতকিে প্রশ্রয় দয়ো চলবনো।
৪। নজিরে সন্তান বা আশ-েপাশরে শক্ষর্িাথীদরে পড়াশুনার পাশাপাশি সুস্থ বনিোদনরে ব্যবস্থা স্বরূপ বই পড়া, শক্ষিণীয় চলচ্চত্রি দখোর ব্যবস্থা করা ইত্যাদি নশ্চিতি করতে হব।ে
প্রত্যন্ত অঞ্চলরে একটি শশিু বই বুকে জড়য়িে হাসমিুখে ফসলরে খতেরে পাশ দয়িে স্কুলে যাচ্ছে দৃশ্যটি সত্যি অসাধারণ। এমনটি বাংলাদশেরে জন্য একটি উজ্জ্বল ভবষ্যিতরে আশা জাগায়। সুতরাং এই দৃশ্যটকিে যর্থাথ করে তোলার জন্য সরকার ও দশেরে প্রতটিি নাগরকিরে সচষ্টে হয়ে সুশক্ষিার ব্যবস্থার জন্য র্বতমান সঙ্কটগুলোকে নরিসন করতে উদ্যোগী হতে হব।ে তবইে বাংলাদশে সত্যকিাররে সোনার বাংলায় পরণিত হব।ে
আমরা আশা করি বর্তমান সরকার ২০১৯সাল পর্যন্ত মেগা প্রকল্প শেষ দিয়ে আগামীতে গন উন্নয়নের জন্য ২০২০ সাল এর পর থেকে ডিজিটাল শিক্ষা ব্যাবস্থা, গ্রাম উন্নয়ন ,যুব উন্নয়ন,শিল্প খাতে বিশাল বাজেট দিবে, যাতে করে ২০৫০ সালকে আমরা উপভোগ করব ২০৩০ সালে এগিয়ে যাবে দেশ এগিয়ে যাবে জাতি ।

মনির হোসেন চৌধুরী
লেখক ও সাংবাদিক
০১৮১৩ ০৫৯ ০৮২

200 total views, 4 views today

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের,তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।
Skip to toolbar